আমার ব্যর্থতা – নাসিরা খাতুন

Nasira Khatun

খুবই সাধারন একটা ফ্যামিলি থেকে বড়ো হয়ে ওঠা একটা মেয়ে আমি। আমার বাবা বুক-বান্ডিং এর কাজ করেন,আর আমাদের বাড়ির সাথে ছোটোখাটো একটা মুদিখানার দোকান আছে সাথে টেলারিং,দোকানে মা বসে।এভাবে বেশ ভালোই দিন কেটে যাচ্ছিলো আমাদের।আমরা তিন ভাই-বোন।

আমার একটা দিদি আর একটা ভাই আছে,কিন্তু আমার বাবা-মায়ের যত স্বপ্ন ছিলো আমাকে নিয়ে।কারন বরাবরই আমি স্কুলে ভালো রেজাল্ট করতাম যারজন্য গার্জিয়ান মিটিং-এ সব আন্টিরা মায়ের কাছে আমার প্রশংসা করতেন আর বলতেন আপনার মেয়ে খুবই শান্ত আর চুপচাপ। আসলে তেমন কিছুইনা আমি যেদিন ফাস্ট স্কুলে যায় অনেক কথা বলার জন্য মনিটর বোর্ডে আমার নাম লিখেছিলো,ক্লাসে আন্টি এসে বোর্ডে যাদের নাম ছিলো সকলকে উটবোস করায়।

সেইথেকে আমিও সবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিই।স্কুলে আমাকে যতটা শান্ত দেখতে লাগতো বাড়িতে আমি ছিলাম ঠিক ততটাই জেদী আর রাগি,ছোটোবেলায় একটুতেই আমি খুব কান্নাকাটি করতাম আর এখনও করি তবে খুব কষ্ট হলে।ছোটো থেকে আমার একটা ভীষন বদ অভ্যাস আছে একটু কিছু হলেই নিজেকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি দেওয়ালে,মেঝেতে যেখানে পারতাম মাথা ঠুকতাম এখনও মাঝে মাঝে এরকম পাগলামি করে ফেলি কিন্তু এবারের মাথা ঠোকাটা একটু বেশি জোড়েই হয়ে গেছে মনে হয়।পুরো মাথা ফুলে আছে,খুব ব্যাথাও হয়েছে মা যদিও মাথা ধুইয়ে পুরো মাথাতেই ব্যাথার মলম লাগিয়ে দিয়েছে।

এখন আমার নিজের উপরই খুব রাগ হচ্ছে,আচ্ছা কি দরকার ছিলো অমন চিৎকার করে কান্নাকাটি করে মাথা ঠুকে লোক জানানোর,এতে কী আমি জীতে যাব,সেইতো হেরেই গেলাম আমি,শুধু শুধু আমার মাথাটা ব্যাথা হল আর যন্ত্রনাটাও বারলো। অবশ্য ভালোই হয়েছে কেউ আর জীজ্ঞাসা করতে আসবেনা কীরে এখন কোন ক্লাসে পড়ছিস কিন্তু যখন আমার বিয়ের জন্য দেখাশোনা হবে দেখতে এসে পাত্র পক্ষ জীজ্ঞাসা করবে তুমি কোন ক্লাস পর্যন্ত পড়াশোনা করেছো তখন একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে চুপ করে বসে থাকতে হবে আমাকে।বুকের ভিতরটা হয়তো ক্ষনিকের জন্য হু হু করে কেঁদে উঠবে কিন্তু আমি কিছুই বলতে পারবোনা।

খালি একটাই কথা মনে হবে আমি হেরে গেছি,আমি জিততে পারিনি।”আমার ব্যার্থতা “যে শুধুই আমার যে কষ্ট আর কারোর সাথে শেয়ার করার নয়।যাইহোক “আমার ব্যার্থতা” যে কী সেটাই এবার বলে ফেলি,ক্লাস নাইন পর্যন্ত আমি ভালোভাবে ভালো নাম্বার পেয়ে পাশ করি।আমার লক্ষ্য ছিলো মাধ্যমিকে ফাস্ট ডিভিশন পেয়ে পাশ করার কিন্তু দুর্ভাগ্য টেস্টে ভালো নাম্বার পেয়ে পেলেও ফাইনাল বোর্ড এক্সাম-এ সেকেন্ড ডিভিশনে পাশ করি। টেস্ট এক্সামের পরেই আমি ভীষন ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি।

সবসময় প্রচন্ড মাথা যন্ত্রনা করতো,বাবা-মা দুজনেই আমাকে নিয়ে অনেক হসপিটাল ঘুরেছে কোনো লাভ হয়নি।আগে আমাদের টালির ছাউনির ঘর ছিলো ছোটোবেলায় সেখান থেকেই একটা বাঁশের টুকরো খুলে আমার মাথায় পরে মাথা ফেটে গিয়ে অনেক রক্ত বেরিয়েছিল,সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে ডাক্তার ডেশিন করে দেন সাথে কিছু ওষুধও দেন।তারপর অনেকদিন ভালো ছিলাম। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় অসুস্থ হওয়ায় হসপিটালে দেখাতে ডাক্তার সি.টি.স্ক্যান করতে বলেন কিন্তু রিপোর্টে কিছুই ধরা পরেনা,ডাক্তাররা বলেন অনেকদিন আগে মাথায় বাঁশ পরেছিলো তখন কিছু হয়নি যখন সেটা থেকে আর কোনো প্রবলেম হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ডাক্তাররা বলেন সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা একটু বেশি প্রেশার নিয়ে পড়েছে সেটা থেকেই হয়তো এমন হয়েছে,প্রেসেন্টকে কোনোরকম প্রেশার বা টেনশন থেকে দূরে রাখবেন,পারলে একবার চোখের ডাক্তারকে দেখিয়ে নেবেন।ডাক্তারবাবু আমার কাছে এসে বলেন তুই এইটুকু একটা মেয়ে এত কী চিন্তা করিস যে শরীর অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে,আমি মুচকি হাঁসি আর কিছুই বলিনা।

চোখের ডাক্তার দেখাতে চোখের কোনো প্রবলেম ছাড়াই চশমা দিয়ে দেয় সেই থেকে আজও আমাকে চশমা পরতে হয়,তফাত এটাই আগে আমার চোখে কোনো প্রবলেম ছিলোনা আর এখন দূরের সবকিছুই যেন ঝাপসা লাগে। কোনোকিছুতেই যখন মাথা ব্যাথা-যন্ত্রনা কমছেনা মা আমাকে বেশি পড়তেই বারোন করে দেয়,দিনে চার ঘন্টার বেশি একটুও পড়তে দিতোনা,তাই মাধ্যমিকে সেকন্ড ডিভিশনে পাশ করি।ক্লাস টেন পর্যন্ত বাড়িতেই টিউশন পড়েছি কিন্তু ইলেভেন থেকে কেউ আর বাড়ি এসে পড়াতে রাজি হয়না,কি আর করার ইলেভেনে আর কোনো টিচার নিইনি একা একাই বাড়িতে পড়তাম।স্কুলে যা পড়াতো আর বিভিন্ন সহায়িকা পড়ে 50% নাম্বার পায়।

ক্লাস 12 মানে উচ্চমাধ্যমিকে টিচার না নিলেই নয় এমনিতেই মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি,তাই স্কুলে প্রিয়াঙ্কার সাথে কথা বললাম তারপর থেকে দুজনে একসাথে পড়তে যেতাম যেখানেও আগে থেকেই পড়তও, প্রিয়াঙ্কার সাথেই আমার একটু ভালো হতো । স্যার খুব অল্প নোটশ লেখাতেন আর সেগুলোই পরীক্ষাতে আসতো তাই আমার পক্ষে মুখস্ত করাও সহজ ছিলো । উচ্চ মাধ্যমিকে আমি ফাস্ট ডিভিশনে পাশ করি।আমার বাবা-মা দুজনেই খুব খুশি হন রেজাল্ট দেখে,অবশ্য আমি সারাবছর তেমন পড়িনি লাস্ট তিনটে মাস খুব খেটেছিলাম।

মাকে বলেছিলাম যতই যা হোক আমাকে কিন্তু ফাস্ট ডিভিশন পেতেই হবে।H.S. পরীক্ষা দেওয়ার পরেই আগের মতো আবার আমি অসুস্থ হয়ে পরেছিলাম শেষমেষ বাবা আমাকে পি.জি.হসপিটালে নিয়ে যায়,আমি ডাক্তারকে বললাম আমি যখন বেশি পড়াশোনা করি বা কোনোরকম টেনশন করি আবার খুব কষ্ট পেলেও আমার মাথা তীব্র যন্ত্রনা করে,আমার মাথার যে জায়গাটাতে অনেকদিন আগে বাঁশ পরে কেটে গিয়েছিলো সেই জায়গাটা মাঝে মাঝে খুব ব্যাথা হয় এখনও ব্যাথা আছে।ডাক্তারবাবু বললেন সাধারনত অনেকদিনের আঘাতে তেমন কিছু হয়না,আমি তোমাকে কিছু নিয়ম বলে দিচ্ছি মেনে চলবে আর যে ওষুধ গুলো লিখেদিলাম নিয়ম করে খাবে।

টেনশনে আমার দুটো হাত খুব কাঁপতো কোনো কাজ করতে গেলে,এখন দেখছি কথা বলতে গেলে মাঝে মাঝে গালটাও কেঁপে ওঠে টেনশনে যেটাকে আমি মনে করি নার্ভাসনেশ। যাই হোক,এবার কলেজে ভর্তি হওয়ার পালা,বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছিলো আমাকে Lawyer বানানোর কিন্তু Law তে প্রচুর আইন,ধারা মুখস্ত করতে হয়। একটু বেশি পড়লেই আমি খালি অসুস্থ হয়ে যায় তাই বাবা ঠিক করলো আমাকে বারুইপুর আলামিন কলেজে ভর্তি করবে,ফর্ম এনেছিলাম কিন্তু পরীক্ষা দিয়নি আর ভর্তিও হয়নি।

আমার তেমন কোনো বন্ধু ছিলোনা প্রিয়াঙ্কা ছাড়া,তাই প্রিয়াঙ্কাকে দেখে আমিও “সুশীল কর কলেজ”এ ভর্তি হওয়ার জন্য জেদ করি শেষে আমার কথামতো বাবা সুশীল কর কলেজে ইতিহাস অনার্সে ভর্তি করে দেয়। ফাস্ট ইয়ারে 40% নাম্বার পেয়ে পাশ করি কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল ফাস্ট ক্লাস পাওয়ার তাই সেকেন্ড ইয়ারে একটু প্রেশার নিয়েই পড়ি কিন্তু এক্সাম যত এগিয়ে আসছিল আমি নিজেকে ততই অসুস্থ ফিল করতে লাগলাম।

প্রথম দিন থার্ড পেপার এক্সাম ছিলো প্রশ্ন তেমন কমন পায়নি যা কমন পেয়েছিলাম সব গুলিয়ে যাচ্ছিলো কেমন যেন ভুলে ভুলে যাচ্ছিলাম, যেমন হোক করে থার্ড পেপার এক্সাম দিই কিন্তু পরেরদিন ছিলো ফোর্থ পেপার এক্সাম কমন এসেছিল,প্রথম দু-তিন পেজ লিখতেই আমি আর যেন কিছুই মনে করতে পারছিলামনা সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছিলো হাত কাঁপছে লেখা বেঁকে যাচ্ছে প্রচন্ড মাথা যন্ত্রনাও শুরু হয়,আমি নিজের কান্না চাপতেই পারছিলামনা গার্ডে যেসব টিচার ছিলেন একজন মা কে ডেকে বলেন আপনার মেয়ে কিছুই লিখতে পারছেনা ওকে আগে ভালো ডাক্তার দেখান এক্সাম পরের বছর দিলেও তেমন কোনো ক্ষতি হবেনা।

মা আমাকে নীলরতন হসপিটাল থেকে ঘুরিয়ে বাড়ি আনে।রেজাল্ট বেরোলে জানতে পারি Total-55 পেয়েছি পাশ নাম্বারটা ও তুলতে পারিনী।সবাই বলেছিল পাসে থার্ড ইয়ার এ পড়তে কিন্তু আমি ভাবলাম অনার্স নিয়েছি যখন আমার একবছর নষ্ট হয় হোক অনার্সটা কমপ্লিট করবো কিন্তু পারলাম কই আমি আবারও হেরে গেলাম,এবার আর আমার শারিরীক অসুস্থতা নয়,টেকনিকাল প্রবলেম আর কলেজ কর্মচারীদের গাফিলতি আমাকে হারতে বাধ্য করলো।লকডাউন আর করোনা ভাইরাসের জন্য বাড়িতে বসেই পরীক্ষা হয় অনলাইনে। আমার ফোনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো কোনোরকমে ফোনটা চালানোর জন্য একটা ব্যাটারীর দরকার ছিলো কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য ব্যাটারীটাও আসেপাসের কোনো দোকানে পায়নি শেষে আমার জামাইবাবুর ফোন দিয়ে পরীক্ষা দিই ।PDF file বানিয়ে উত্তরপত্র মেল করতে হয়েছিলো।

আমার বান্ধবীদের বারবার বলে দিই রেজাল্ট এর খবর পেলে প্লিজ আমাকে জানাস কিন্তু কেউই আমাকে রেজাল্ট এর খবর দেয়নি,হঠাৎ প্রিয়াঙ্কা আমার বাবার ফোনে কল করে বলছে কাল রেজাল্ট আনতে যাবি? আমি অবাক হয়ে বললাম রেজাল্ট কবে বার হলো বলে 12/02/21। এতদিন হয়ে গেছে রেজাল্ট বের হয়েছে তুই আমাকে আজকে বলছিস? বলে আমিতো ভুলে গেছিলাম তোর ফোন খারাপ ভাবলাম তুই জানিস হয়তো রেজাল্টের কথা,তোর সাথে তো মমতার খুব কথা হতো ও তোকে বলেনি? দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে আমি বললাম নাহ্ সবাই সবার জীবনে ব্যাস্ত এখন কে কার কথা মনে রাখে! আচ্ছা বাদদে তুই আমার রেজাল্টটা একটু দেখে দে আমারতো ফোন খারাপ, ঠিক আছে তোর রোল নাম্বার আমার কাছে আছে একখুনি দেখে বলছি। কিছুক্ষন পরে প্রিয়াঙ্কা কল করে বলে তুই কি একটা পেপারে এক্সাম দিসনি?একটাতে অ্যাবসেন্ট দেখাচ্ছেতো। এবার আর আমি নিজেকে সামলাতে পারছিলামনা বুক ফেটে যেন কান্না আসছে।

আমি চুপ করে আছি দেখে প্রিয়াঙ্কা বললো শুধু তোর নয় Calcutta university r under-এ অনেক কলেজের স্টুডেন্টদের এরকম অ্যাবসেন্ট এসেছে।আমরা কালকে কলেজে গিয়ে খোঁজ নেবো,ঠিক আছে বলে ফোন রেখে দিয়ে তখনকার মতো নিজেকে সামলে নিলাম কিন্তু পরেরদিন কলেজে কাউন্টারে গিয়ে খোঁজ নিতে অখিল দা জানায়,রেজাল্ট বের হওয়ার পর তিনদিন রেজাল্টের ভুল সংশোধন হয়েছে এখন আর হবেনা,সেই ফেব্রুয়ারিতে ফের পরীক্ষা হবে তখন পরীক্ষা দিবি। আমি কলেজে গিয়েছিলাম 18/01/21 তারিখে। ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা শুনে তবু একটু নিজেকে শান্ত করেছিলাম।কিন্তু আজকে কলেজে গিয়ে এক্সাম এর খোঁজ নিতে কাউন্টারের একজন জানালেন,এখন যা পরিস্থিতি একবছরও সময় লাগতে পারে কিন্তু দু-দিন আগে ও তো একটা মেয়ের সংশোধন করে দিয়েছিলেন তুই একটু অনুরোধ করে দেখ যদি ঠিক করে দেয়,আমার নাম করবিনা কিন্তু যে আমি বলেছি এখনও সংশোধন করা যাবে।

যিনি এইসব ঠিক করেন আবারও গিয়ে বললাম আজ নিয়ে তিনবার কিন্তু আমার কোনো আকুতি-মিনতি তাঁর কানে পৌঁছলোনা শুধু বললেন অন্যের ফোন দিয়ে যখম পরীক্ষা দিয়েছিস ইচ্ছা থাকলে রেজাল্টের খবরটাও নিতে পারতিস। প্রায় প্রতিদিনই বাবার ফোন দিয়ে সবাইকে কল করে রেজাল্ট এর কথা জীজ্ঞাসা করতাম কিন্তু যেদিন রেজাল্ট বের হলো তার দুদিন আগেই আমার দিদি হসপিটাল এ ভর্তি হয় খুবই সিরিয়াস কান্ডিশন ছিলো একদিন পরেই সীজার করে দিদির মেয়ে হয় সাড়ে সাত মাসে সবাই দিদি আর ওর বাচ্ছাকে নিয়ে ব্যাস্ত তাই বাড়িতে আমি একাই থাকতাম আমার কাছে কোনো ফোন ও ছিলোনা তাই কাউকে কল করে রেজাল্ট এর খবর জানতে পারিনি।

আমার এমন রেজাল্ট এর খবর শুনে মা ভয় পেয়ে যায় ভাবে যদি সুইসাইড করে বসি তাই একটুও চোখের আড়াল হতে দিচ্ছিলোনা আর দিদিও হসপিটাল থেকে আমাকে বার বার কল করছে আর বোঝাচ্ছে যা হওয়ার হয়ে গেছে আমাদেরতো আর কিছু করার নেই তুই বেশি চিন্তা করে আর শরীর খারাপ বারাসনা তখন মা তোকে দেখবে না আমাকে দেখবে,আমি কিছুই বলিনি আর আমার কিছু বলারও নেই । আচ্ছা আমি সুইসাইডই বা করবো কেন এখানে দোষ শুধু আমার নয় আমার কলেজের কর্মচারীদের গাফিলতিও তাদের উচিত ছিলো ঠিকঠাক ভাবে মেল চেক করে রেজাল্ট পাবলিশ করা।।

আমার পক্ষে একবছর পরে আবার এক্সাম দেওয়া হয়তো সম্ভব নয়।আমি নিজের কাছেই নিজে হয়তো হেরে গেছি।আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরনেও আমি আজ ব্যার্থ। আমার জীবনের এই ব্যার্থতাটা শুধুই কী একান্ত আমারই?হয়তো আমার এই ব্যার্থতার সাথে আমার কলেজেরও কিছুটা ব্যার্থতা জড়িয়ে আছে যা তারা দেখতে চায়না।।

#আমার লেখার উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করা নয়। এই গল্পের মাধ্যমে আমি শুধু আমার ব্যার্থতাকেই তুলে ধরতে চেয়েছি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top