আয়নার ওপাশে যে তুমি

আয়নার ওপাশে যে তুমি।। চাষা হাবিব

তোমাকে পাওয়ার জন্য
আমি তলিয়ে যাই অতলে
একটা ঝাপটা,একটা অবস করা স্পর্শ
তারপর চোখ বুজে আসে
তারপর দেখা যায় অসংখ্য রঙের সমুদ্র
বুকের দানীতে ডানা মেলে স্বাধীনতা
মুক্ত আকাশ–মুক্তি,উড়ো মেঘে দহন
যেনো কারুকার্যের সিঁড়ি উপর থেকে নিচ
নিচ থেকে উপর,বয়ে চলে রূপ স্রোত হয়ে
যেনো শূণ্যতার মধ্যে হঠাৎ ঝাপটা
আবছা আবছায় তোমাকে পাওয়া
যেনো রঙের ভুবনে আঁকছে সে দেয়াল
বিদ্যুৎ চমকে গেলে ঝরে যায় জ্যোৎস্না
চমকের মতো কোন দৃশ্য পেছনে ফেরে
কোন রাস্তা, কোন মুখ, আঁকা বাঁকা খাড়ি
কোন মানুষ,কোন এক সকাল,খালি গায়ে
আমের মুকুল ছিড়ে যায় মুখভর্তি গালিতে
লাটাই–লাটিম,মার্বেলের কড়িতে ঝগড়ায়
একটা জামা ছিঁড়ে যায়
আচমকা দমকা বাতাস
উড়ে যায় বুকের ওড়না
আমি উড়ছি,শরতের কাশফুল,শিউলি
শাদা শাদা মেঘের আড়াল থেকে উঁকি
ফেনিল স্পর্শে ধপ করেই কোঁচা থেকে
মাটিতে ঝনঝন করে পড়ছে
খুচরো পয়সা আধুলি কয়েন
যেনো মৃত্যুও যেমন না বলেই
পা থেকে ঠান্ডা করে এ শরীর
ঘুমের দেশেই চুপিচুপি জেগে রয় নিশ্বাস
রাতের রাণীও যেমন নাবলে শেষবেলায়
কেঁদে কেঁদে নিভে যায় শুধু সলতে রেখে
তেমনি আমিও তোমার জন্য পরাবাস্তবে
রূপোলী আলোর দড়ি বেয়ে মৃত্যুর মতো
তলিয়ে যেতে থাকি গভীর নিমগ্নতা ধ্যানে
বিষাক্ত চুমুকে গহ্বর জিহবায় মৃত্যু জেনে
তোমার জন্য অধিভৌত রঙ দেখবো বলে

[এটা একটা ঘোরের কবিতা, সম্প্রতি যে মাদকের কথা বলা হচ্ছে এলএসডি, এটা গ্রহণ করলে মানুষ অন্যলোকে চলে যায়, তখন সে আধিভৌতিক জিনিস দেখে, এ পটভূমিতে লেখা কবিতা,,, ]

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *