গল্প

 

[post-views]

বৃহস্পতির ঘরে শনির সংসার – রানা জামান

কথা শুনছে না একদম মালিহা-না মা-বাবার, না ধর্মের। পাশ্চাত্যের সংস্কৃতির মায়াবিজালে আটকা পড়ে গেছে পুরোপুরি। উচ্চশিক্ষার্থে পাঁচ বছর সাইপ্রাস অবস্থান ওকে বেপরোয়া করে তুলেছে শতভাগ। সাইপ্রাসে নাগরিকত্ব পেয়েও হঠাৎ একদিন চলে এলো বাংলাদেশে। সাতদিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে এই যে বের হলো আর নিয়ম করে বাসায় আসেনি আজতক। সাইপ্রাস শিক্ষা গ্রহণকালে খণ্ডকালীন কাজ করে বেশ অর্থ কামাই করতে পেরেছে। তাই ও মা-বাবার কাছে এখনো টাকা-পয়সা চাচ্ছে না। 

নানা ধরনের কথাবার্তা শুনছে ওঁরা ওকে জড়িয়ে। কোনো কথাই সুখকর না। সে পাশ্চাত্য ঢঙে চলছে এখানে। মাশরেফ আনোয়ার ও সেলিনা আনোয়ার বিরক্ত মালিহার উপর। প্রতিদিনই বুঝাচ্ছেন; কিন্তু কাজে আসছে না। একটা ফোনকল আসার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দু’জন বেশ রেগে আছেন মেয়ের প্রতি। দু’জন বসে আছেন ড্রয়িংরুমে এবং বারবার দেয়ালঘড়ি দেখছেন। ঘড়ির কাঁটা এইমাত্র পেরিয়ে গেলো এগারোটার ঘর। 

কফিপট থেকে কফি ঢেলে সেলিনাকে দিয়ে নিজেও এক কাপ নিলেন মাশরেফ। স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে কিছু বলার জন্য মুখ খুলে ফের বন্ধ করে চুমুক দিলেন কফির কাপে।

সেলিনা আনোয়ার মুখের কফিটুকু গিলে বললেন, কী বলতে চেয়েছিলে?

মাশরেফি কফি গিলে বললেন, মেয়েটাকে সাইপ্রাস পাঠিয়ে মস্ত ভুল করেছি আমরা। ও তো পুরা ওয়েস্টার্ন লাইফ লিড করতে চাচ্ছে। 

ওকে বিয়ে দিয়ে দাও।

ও বাংলাদেশে এসে যা শুরু করেছে, কোনো ছেলে কি ওকে বিয়ে করতে চাইবে?

সম্পত্তির লোভ বড় লোভ। তুমি ছেলে দেখো। আমি মেয়ের সাথে কথা বলবো। 

তুমি একা কথা বলবে কেনো? আমরা দুজনই কথা বলি। ও আসার পর আজই কথা বলি।

ওকে।
তখন কলবেল বেজে উঠলো। মাশরেফি আনোয়ার বললেন, এই এলো আমাদের রাজনন্দিনী! সেলিনা উঠতে চাইলে ফের বললেন, তুমি বসো। আমি খুলে দিচ্ছি। 


মাশরাফি আনোয়ার এগিয়ে গেলেন দরজার দিকে। দরজা খুলে দিলেও ঢুকার পথ আগলে দাঁড়িয়ে থাকলেন। মালিহা টলছে মৃদু। খুব কষ্টে রাগ সামলে রাখছেন তিনি।

বাসায় ঢুকতে না পেরে মালিহা জড়ানো কণ্ঠে বললো, পথ ছাড়ো ড্যাডি। বাসায় ঢুকি।

রাগ সামলে রেখে কিছুটা রুক্ষ কণ্ঠে মাশরাফি আনোয়ার বললেন, গতকাল নিষেধ করার পরও তুমি আজও মাতাল হয়ে রাত এগারোটার পর বাসায় এসেছো। 

সো হোয়াট ড্যাডি! লেট মি ইন।

সেলিনা আনোয়ার মাশরাফি আনোয়ারের পেছন থেকে বললেন, মেয়েটাকে আগে ঢুকতে দাও ভেতরে। পরে কথা বলি।

সেলিনা মাশরাফির হাত ধরে একটু সরিয়ে আনলে মালিহা ভেতরে ঢুকে টলতে টলতে সিঁড়ির দিকে যেতে থাকলে পেছন থেকে মাশরাফি বললেন, এখানে বসো। তোমার সাথে জরুরি কথা আছে মালিহা।

হাটা অব্যাহত রেখে মালিহা জড়িত কণ্ঠে ফের বললো, আমি টায়ার্ড ড্যাডি। আগামীকাল সকালে কথা বলি?

সেলিনা আনোয়ার দরজা আটকে কণ্ঠ উঁচিয়ে বললেন, না! এখনই কথা বলতে হবে! 

মালিহা না থেমে একই স্বরে বললো, মাম্মি তুমিও!

সেলিনা আনোয়ার দ্রুত এসে মালিহার সামনে দাঁড়িয়ে বললো, কী হলো? কথা কানে যাচ্ছে না তোমার?

ধীর লয়ে ‘মা-ম্মি!’ বলার সাথে সাথে সেলিনা আনোয়ার মালিহার গালে জোরে একটা চড় মেরে কর্কশ কণ্ঠে বললেন, ঐ সোফায় গিয়ে বসো!

মালিহা নিচের দিকে মাথা ঝুলিয়ে রেখে বললো, আই নিড টু ইউরিনেট।

নিচতলার ওয়াশরুম থেকে কাজ সেরে আসো।

হোয়াই বোথ অব ইউ আর ইন্সিস্টিং আপন মি!

আর রাগ চেপে রাখতে না পেরে মাশরাফি আনোয়ার এগিয়ে এসে সজোরে থাপ্পড় মারলেন মালিহার ডান গালে। 

অতিরিক্ত মদ্যপানে টলটলায়মান মালিহা দুমড়েমুচড়ে পড়ে গেলো মেঝেতে। আঁতকে উঠে সেলিনা এগিয়ে গেলেন মেয়ের দিকে। মালিহা হয়ে গেছে অজ্ঞান। সেলিনা আনোয়ার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন মেয়ের জ্ঞান ফেরানোয়। ওদিকে রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে মাশরাফি সোফায় গিয়ে বসলেন। 

মুখমণ্ডলে পানির ছিটা পড়ায় জ্ঞান ফিরে এলো মালিহার। সে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে হাটতে শুরু করলে সেলিনা আনোয়ার ওর পিছে হাটতে হাটতে বললো, কোথায় যাচ্ছিস এতো রাতে?

মালিহা দরজায় হাত দিয়ে বললো, আই উইল নো মোর স্টে হেয়ার!

এতো রাতে কই যাবি?

এনি হোয়ার! ডোন্ট অরি!

মালিহা দরজা খুলে চলে গেলো বাইরে। 

সেলিনা আনোয়ার স্বামীর কাছে এসে ভগ্নকণ্ঠে বললেন, মেয়েটাকে ফেরাও! এতো রাতে বাইরে গিয়ে কোথায় যাবে কী করবে আল্লাহই জানে!

মাশরাফি আনোয়ার বিমর্ষ কণ্ঠে বললেন, নতুন৷ করে কী আর করবে! যেতে দাও। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো!
মাশরাফি আনোয়ার দু’হাতে মুখ ঢাকলেন। হয়তোবা কাঁদছেন। একমাত্র সন্তানকে মানুষ করতে পারেন নি এই ব্যর্থতায়। সেলিনা আনোয়ার দরজায় তালা মেরে এগিয়ে এলেন মাশরাফির দিকে। পাশে বসে হাত রাখলেন কাঁধে। চেষ্টা করছেন না কাঁদতে। চেষ্টা করে কান্নার শব্দ থামাতে পেরেছেন; কিন্তু চোখের পানি রুখতে পারেন নি। টপটপ করে অশ্রু পড়তে লাগলো মাশরাফির হাতে। মাশরাফি দুই হাতে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন। 

দ্রুত কান্না সামলে নিয়ে মাশরাফি আনোয়ার স্ত্রীকে বললেন, ওকে ভুলে যাও সেলিনা। মনে করো আমাদের কোনো সন্তান ছিলো না। 

সেলিনা একবার নাক টেনে বললেন, মালিহা আমাদের একমাত্র সন্তান।

ডিরেইল্ড হলে বদনাম করার জন্য একটাই যথেষ্ট!

আমাদের সম্পত্তি থেকে ওকে বেওয়ারিশ করে দেবো!

চলো এবার শুতে হবে। রাত জাগলে তোমার প্রেসার বেড়ে যাবে।

আজ দুটো ঘুমের ট্যাবলেট দিও। 

দুজন ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমালে ভূমিকম্প হলেও টের পাওয়া যাবে না। সকালে লোকজন রাবল চাপা অবস্থায় দুটো লাশ দেখতে পাবে!

তাহলে তো ভালোই হবে। সকল যন্ত্রণার অবসান!

আর কথা না! চলো!

না, মাশরাফি আনোয়ার একমাত্র মেয়ে মালিহাকে সম্পত্তি থেকে না-শরীরক করেননি। উল্টো মালিহার খোঁজে একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ নিয়োগ দিলেন। সময় দিলেন তিনদিন। এই তিনদিন দু’জন এলবাম ঘেটে সময় পার করার চেষ্টা করছেন। নিয়মিত বৈকালিক ভ্রমণে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিক্ষার সময় তো কাটতে চায় না সহজে। 

সেলিনা আনোয়ারের পীড়াপীড়িতে তৃতীয় দিন বিকেলে দু’জন বের হলেন বৈকালিক ভ্রমণে। দরজায় তালা মেরে লিফটে ঢুকতে যাবেন তখন লিফট থেকে বের হয়ে এলো প্রাইভেট ডিটেক্টিভ অর্পণ রূপায়ন।

অর্পণ রূপায়ন বললো, আপনারা বাইরে যাচ্ছেন স্যার ম্যাডাম?

মাশরাফি আনোয়ার বললেন, জ্বি।

খবর ছিলো।

ভালো না খারাপ?

ভালোর সাথে জড়িয়ে আছে খারাপ। 

তাহলে চলেন হাটতে হাটতে আপনার সাফল্যগাঁথা শুনি।

চলেন স্যার।

দুই পৌঢ় টুকটুক করে হাটছেন কচ্ছপের গতিতে। পেছনে অর্পণ রূপায়ন মোবাইল ফোন টেপায় ব্যস্ত হয়ে হাটায় রেখেছে শম্বুকগতি। 

ডি-ব্লকের ময়দানে ঢুকে মাশরাফি বললেন, এবার তোমার ইন্ভেস্টিগেশনের রেজাল্ট শুনাও প্রাইভেট ডিটেকটিভ!
সাড়া না পেয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখেন অর্পণ রূপায়ন নেই- রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোন টিপছে। মাশরাফি আনোয়ার ওকে ডাক দিলেন, হ্যালো প্রাইভেট ডিটেকটিভ! তুমি রাস্তায় কেনো? উই আর হেয়ার প্রাইভেট ডিটেকটিভ। কাম ইন।

অর্পণ রূপায়ণ ময়দানে তাকিয়ে লজ্জিত হলো বেশ। দ্রুত মোবাইল ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে বললো, সরি স্যার! 

আমি আসছি!

অর্পণ রূপায়ন হন্টনরত পৌঢ় দম্পতির পেছনে এলে মাশরাফি আনোয়ার বললেন, এবার বলো কী পেয়েছো তুমি।

অর্পণ রূপায়ন বললো, আপনার মেয়ে উত্তরা থানার ওসি আকবর হোসেনের গ্রেপ্তে আছে।

হোয়াট ডাজ মিন ইট?

যেনো মাশরাফির প্রশ্ন শুনতেই পায়নি এমনভাবে অর্পণ বললো, ইউর ডটার ইজ এনকেশিং হার পিজিখ।

হোয়াট আর ইউ সেয়িং প্রাইভেট ডিটেকটিভ? 

সেলিনা আনোয়ার বললেন, ডু ইউ নো দ্য মিনিং অব দিজ সেন্টেন্স?

অর্পণ রূপায়ন দৃঢ় স্বরে বললো, আই মিন ইট ম্যাম!

দু’জন চলচ্শক্তিহীন হয়ে পড়লেও ভেংগে পড়লেন না। মাশরাফি আনোয়ার স্ত্রীর হাত ধরে বললেন, এসব কথা কি আর পার্কে হাটতে হাটতে বলা যায়! তুমি শুধু প্রাইভেট ডিটেক্টিভ-ই হয়েছো; কোন পরিবেশে কোন কথা বলতে হয়, তা আজো শেখো নি! বাসায় চলো। 

ওরা চলে এলো বাসায়। মাশরাফি আনোয়ার অর্পণকে হাত ধরে বসিয়ে বললেন, আমি আমার মেয়ের কাছে যেতে চাই। ইউ উইল এরেঞ্জ ইট। ইট উইল বি এন এনাদার এসাইনমেন্ট।

সরি স্যার!

হোয়াই সরি!

ওখানে কড়া পাহারা স্যার। কমবেট পোষাকে ওসি আকবরের ভাড়া করা গুণ্ডার চব্বিশ ঘণ্টা পাহারা দিচ্ছে। 

আমাকে ঠিকানাটা লিখে দিয়ে যাও প্রাইভেট ডিটেক্টিভ।

অর্পণ রূপায়ন একটা কাগজে ঠিকানা লিখে পারিশ্রমিক নিয়ে চলে গেলে সেলিনা আনোয়ার বললেন, ওর কথা সত্যি না মিথ্যা যাচাই না করেই ফি-টা দিয়ে দিলে! দেশটা ফ্রডে ভরা!

আমার মনে হয় না ও মিথ্যে বলেছে।

তখন মাশরাফি আনোয়ারের মোবাইল ফোনটা বেজে উঠলে সেলিনা আনোয়ার টি-টেবিল থেকে মোবাইল ফোনটা তুলে নম্বরটা দেখে বললেন, ফিনল্যান্ডের নম্বর।

মাশরাফি আনোয়ার আশ্চর্য হয়ে বললেন, ফিনল্যান্ড থেকে কে ফোন করবে এখন?

মাশরাফি আনোয়ার স্ত্রীর হাত থেকে মোবাইল ফোনটা নিয়ে ওদিকের কথা যা শুনলেন তা এরকম:

-মালিহা আনোয়ার একটা ছয় মাসের শিশুকে বেবিকেয়ারে রেখে পালিয়ে চলে এসেছে বাংলাদেশে। মেয়েটাকে নিতে না চাইলে একটা না-দাবি পত্র পাঠাতে হবে।

সেলিনা আনোয়ার উদ্বিগ্ন স্বরে বললেন, কী হয়েছে? কী বললো? 

মাশরাফি আনোয়ার বললেন, আমাকে এখনই মালিহার কাছে যেতে হবে।

ফিনল্যান্ড থেকে কে কী বললো সেটা বলো আগে। তাছাড়া আমিও যাবো তোমার সাথে।

চলো যেতে যেতে বলছি।

উবারের কারে চড়ে পৌঢ় দম্পতি চলে এলো উত্তরার ঐ ঠিকানায়। সত্যই কড়া প্রহরা। ওঁদের কথা শুনে প্রহরিরা হাসতে লাগলো। হঠাৎ এক প্রহরির বোধোদয় হওয়ায় বললো, মালিহা ম্যাডাম ওসি স্যারের খাস লেডি। ওসি স্যার ছাড়া অন্য কারো উনার ঘরে ঢুকা নিষেধ। দরজার সামনে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। আপনারা আমাকে দশ হাজার টাকা দিলে আন্টিকে আয়ার বেশে ঐ রুমে ঢুকিয়ে দেবো। ম্যাক্সিমাম দশ মিনিট থাকতে পারবেন। 

এতো টাকা কি সাথে এনেছি? 

সেলিনা আনোয়ার বললেন, আমার কাছেও কিছু টাকা আছে। দুজনের টাকা মিলে হয়ে যাবে দশ হাজার টাকা। 

দুজনের টাকা মিলে হয়ে গেলো দশ হাজার টাকা। ঐ প্রহরি টাকাটা নিয়ে সেলিনাকে  আয়ার বেশ ধরিয়ে মালিহার কক্ষটা দেখিয়ে দিলো। সেলিনা কক্ষে ঢুকে দেখে মালিহা খাটে আধশোয়া হয়ে আছে। হাতে মদের গ্লাস। জড়িত কণ্ঠে বললো, হোয়াই ইউ হ্যাভ কাম হেয়ার নাউ। সরি! তুমি তো ইংরেজি বুঝো না! এখন তুমি এসেছো কেনো? ইন্সপেক্টর আকবর হোসেন এসেছে নাকি? এই অবেলায়?

সেলিনা আনোয়ার মুখে আঁচল চেপে কাঁদতে শুরু করায় মালিহা একই স্বরে বললো, আবার কাঁদছো? এবার কে মরলো? একটা কথা। তোমার আত্মীয়-স্বজন এতো মারা যায় কেনো?

মেয়ের এ ধরনের কথায় সেলিনা আনোয়ারের রাগ হলো খুব। তিনি কান্না থামিয়ে মাথার কাপড় ফেলে দিয়ে বললেন, আমি কোনো আয়া না-তোর দূর্ভাগা মাদার! 

মালিহা সেলিনার দিকে চোখ বড় করে তাকিয়ে বললো, ইয়েস! ইউ আর মাই মাদার! মাম্মি! 

তোর ড্যাডিকে নিচে রেখে এসেছি। গার্ড আসতে দিলো না।

ওয়ান্ডারফুল! মাই মাম ইজ মেইড-সার্ভেন্ট হেয়ার এন্ড মাই ড্যাড ইজ গার্ড এট দ্য গেট!

কী বলছিস তুই আবোলতাবোল? যা হবার হয়েছে, আমরা তোকে নিয়ে যেতে এসেছি। 

আমাকে নিয়ে আবার বকাবকি করার জন্য। ফরগেট মি। আই উইল নেভার গো ব্যাক টু দ্যাট জেইল! আই এম এনজয়িং দিজ লাইফ ভেরি মাচ। 

বিং এ প্রোস্টেটিউট অর এ কেপ্ট অব ওসি আকবর?

ইউ আর অলসো এ প্রোস্টেটিউট মাম্মি, এ লিগাল প্রোস্টেটিউট!

বুঝেছি! ইউ হ্যাভ ডিরেইল্ড ফুল্লি! ফিনল্যান্ড থেকে ফোন এসেছিলো। তুই বেবিকেয়ারে একটা বেবি রেখে এসেছিস। তুই বিয়ে করেছিস, বাচ্চা আছে তা তো বলিস নি?

আই এম নট মেরেড মাম্মি!

তাহলে ঐ শিশুর বাবা কে?

আই ডু নট নো! আই হ্যাভ হ্যাড ফিজিক্যাল রিলেশনস উইথ মেনি পিপল!


ইউ আর রিয়েলি এ…. 

রাগে দুঃখে ব্যর্থতায় সেলিনা আনোয়ার বাক্যটা শেষ না করে মালিহার গালে কষে একটা চড় লাগালেন।

রানা জামান
রানা জামান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top