দীর্ঘ কবিতা সুদীপ ঘোষাল

দীর্ঘ কবিতা

আনন্দের একতারা
সুদীপ ঘোষাল

তুমি আছো বলেই আমি আছি
তা না হলে অস্তিত্ববিহীন সমাজের বুকে।
শুধু কেঁদে কথা বলা।
মায়ের কাছে বসে যখন শিশুবেলার কোল
হাত কিন্তু থামে না। শুধু বিলি কাটে চুলে। মা ছাড়া অর্থহীন বড় হওয়া।
আদতে কিন্তু চিরকালই ছোট আমরা।
তাই ভুল শুধরে জীবন পাল্টাই ঘুরে বেড়াই অলিতে-গলিতে। বসন্তবৌরির ডেকে চলাই কাজ।
সামনে বাবা গণেশের বিশাল মিছিল।
ভক্তের দল পয়সা ছড়ায়, মিছিল বিন্দু হয়ে মিলিয়ে যায়।
আরো দূরে শুধু থেকে যায়, আমরণ অনেক না খেতে পাওয়া শিশু।

যদি বল বুড়ো বয়সে দুধতলা রোগ।
আমি বলব এ রোগ নয়।

ভালোবাসার সীমানা বয়স সব পেরিয়ে অসম্ভব ধারণক্ষমতার স্মৃতি জেগে, বয়স পঞ্চাশ পূর্ণ
তুমি নেই অথচ তোমার সঙ্গে কথা বলি তৃপ্ত হই। এবার তালতলায় কুন্দুলি পাকিয়ে গোপন রেখেছি অধরা রহস্য।
এখনো বাঁচবো অনেকদিন, উপপাদ্য বাকি।
মান বাঁচাতে যে পোড়া দেহ এখনো মানস পাড়ায় যেখানে সেখানে ভাসি ডুবি মানস সরোবরে নবীন মনে তুমি আড়াল থেকে বলবে তোমার না বলা কথা।

এই যে মনের এত দুঃখ সব জমা হয়ে আছে অদৃশ্য বায়ুর মত
একান্ত মনের ধ্রুপদী সঙ্গীত বাজে নিরন্তর। ছেদবিন্দু নেই আকাশের নীলের বিচরণ। আষ্টেপৃষ্ঠে জঞ্জাল।
অর্থহীন চিন্তায় প্রতিক্ষণে মেঘের মাঝে বৃষ্টির দেবতা কে পেয়েছে আজ মুক্তি, ঈগল বন্ধনছিন্ন মেঘের বাইরে।

ভালোবাসা চোখের জল ভালোবাসা ব্যথা।
যুগে যুগে জমানো আছে কত প্রেমের গাঁথা চন্ডিদাস-রজকিনী লায়লা মজনু।
জুলিয়াস ক্লিওপেট্রা, অথেলো।

দেশপ্রেমের একই কথা বিশ্বাস আর বিশ্বাস ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে সবাই নাও প্রেমের নিঃশ্বাস ভালো বাসবে ভালো থাকবে সকল নারী পুরুষ।

ভয় পেয়োনা সংগে আছে অমর যিশুর ক্রুশ।

সাহসী নদীর বাঁকে একবুক ভয় নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে ওরা সমবেত।
নারী-পুরুষের কীর্তন শেষে সমবেত কণ্ঠে উলুধ্বনি।

বিশ্বাস হয় তার প্রাণ আছে পোড়ামাটির। একেবারে জীবন্ত নায়ক। ধর্মের নামে চিন্তার অবকাশ। তারপর চাঁদের আলো আঁধারিতে হেঁটে যাওয়া নদী।
হৃদয় জুড়ে একতা আর মানবতার ধর্ম।

সবুজ মুহূর্ত হারিয়ে তুমি দুঃখ খুঁজনা।
জোনাকির আলো জ্বালিয়ে শুধু বসে থেকো না আলো, চোখ ভরে তুমি দেখো।
নতুন স্বপ্ন ভাঙার সুর জুড়ে এখন শুধু যত্ন নিন শিল্পীর। হাতে ঝরাও তোমার কর্মধুলা।

নিশ্চয় সফল হবেনই। আশা-নিরাশার দাম। পেটে খিদে নিয়ে যদি ছড়াও ভালোবেসে জুড়াবে মনের ক্ষত।

এখন যুগের হাওয়া আল্ট্রামডার্ন পোস্টমডার্ন জয়দেব চন্ডীদাস লালন সবার উপরে বসে দেখছেন কল্কি এলো কিনা।
এসব বাজারে এখন ওয়াইফাই নেট ব্লগ-এ বিখ্যাত লোকের ঘর থেকে বেরিয়ে পড়া সিনসিনারি।
সম্পাদকের লিস্টে নারী।

পুরুষের সঙ্গে আকাশে উড়ছে নারী।

নারী স্বাধীনতার যুগে এখনো অনেক কবিতা গান গল্প ঝুলে আছে।

চিরবসন্ত সমাজের বুকে সাক্ষী হতে পেরে গর্বিত আমি।
যুগ পেরিয়ে আজকের আধুনিক মানচিত্র এগিয়ে যাওয়ার লড়াই।

যুক্তি র বিচারে পৃথিবীকে শিশুর বাসযোগ্য করে যারা, তাদের স্মরণে আজকের যুবক-যুবতী নারী-পুরুষ সবাই এক মিনিট মৌনব্রত পালন করি।

প্রকৃতি সাজাতে ভ্যানগগের কল্পনা ওই নীল পাখিটা বোঝে।
আর তখনই জমে যায় মেঘ বৃষ্টি।
দুঃখ দিয়ে যায় কাদামাখা জলের স্রোতে পুরনো স্মৃতিতে শ্যাওলার মুখে মিশে যায় জলে।
মানুষ খুঁজে ফেরে সাজানো বাগান ক্ষ্যাপা। যেমন খোঁজে পরশপাথর।

বুঝি আমি ওই নীল পাখিটার ভাষা।

বৃষ্টি হোক মাটি উর্বর হোক। মাটি ভেদ করে জেগে ক্ষ্যাপা পেয়েছে আজ সবুজ পরশ পাথর।

পুরনো বাড়ির চারকোনা টালি শ্যাওলার নরম বালিশ। ধুঁকছে কালো জলে দরজা ঘাটে তালগাছের আঁকাবাঁকা ছবি।

পাড়ে বসে থাকা জীবনানন্দ দাশের গভীর গর্তের সতর্কতায়, দিব্যি বেঁচে আছে ছুটে যাওয়া পৃথিবী।

আমার ইচ্ছে নেশার রঙে শ্রাবণ মাসের তুলিতে থাকা কৃষকের ঘরে শুধু লাঙ্গল জুড়ে ভুবন নাচে।

দুরত্ব বাড়ানো ভালোবাসা আর পাশে বসে যত দুঃখের বটের ঝুরি।

আজ পঞ্চাশেও প্রেম।

কিশোরী চাঁদের গর্ত ও বাতাসের সংস্পর্শে এসে যায় শীতের হাওয়ার দোলায়।

চিন্তার পাতা ঝরে কবে কিক্ষণে দেখা দেবে জিজ্ঞাসা চিহ্ন কিছু না শুধু সাদা হলুদ পরী।

সমাজ একটা নাট্যমঞ্চ। পুরাতন গ্রহ।আলোচনায় সমবেত সুধীজন। অভিনয়, হাততালি শুধু জানে অন্ধকারে ব্যক্তির সত্য পরিচয় মুক্ত দাবা খেলে।

যত দূরে যাই ততই পিছিয়ে পড়ি।
এ যাত্রা ম্যারাথন স্টকে থাক দম।

এক একটা পরগাছা সন্তান বেড়ে ওঠে।।

হঠাৎ পরীক্ষক ঝড় এলে ভেঙে পড়ে দুর্বল কান্ড।অভিজ্ঞতার শিকড়ে একটু একটু করে গভীরে যায়।

সবুজ হয় বৃহতের আড়ালে।

এবার কান্ড শক্তপোক্ত।

একদম সত্য ন্যায় প্রতিষ্ঠা।
একটা যুগের চিত্রকর্মের লড়াই বাড়তেই থাকে তা জানেনা। এযাত্রা ম্যারাথন, সফলতা অতঃপর…

তোমাকে আর ফেরাবোনা।
দুঃখ ভুলে গেলে ভালো হতো পারে। ধাক্কা খেয়ে পড়ে এসেছ এবার।
এই সমস্ত ভিজে মন অবহেলার দায়ে শুকনো বাড়ি এসে চেষ্টা করে দেখ যদি সাঁতার কাটতে পারো।

একটা কবিতা মরে গেলে আরেকটা কবিতায় বেঁচে উঠি।
ফিনিক্স পাখির মতো।

সাগর সঙ্গমে এখনো পাওয়ার অনেক দূরে।

চলে যেতে পারে মঙ্গল গ্রহে।

আমি একা তুমি একা বাকি শুধু বিশ্বকবি কবিতায় চিরকাল ইমনকল্যাণ….

পুত্রদের বড় হওয়ার পথে উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে থাকে মায়ের আদর্শ
আঁচল পেতে ধরা বাদে, সমস্ত জীবন উৎসর্গ করা থাকে ছেলেমেয়ে সাফল্যের পথে
শুধু বড় হওয়ার পর থেকেই জীবন আলাদা হয়ে থাকে না
কখন যেন অজান্তেই স্বয়নে স্বপনে জাগরনে জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী…

ভালোবাসা যুগে যুগে চোখের জল স্বতঃস্ফূর্তভাবে হৃদয়ে হৃদয়ে নানা রঙের ফুলের বাহারি ভালবাসার যোগ্য প্রেমের আগুন জলে পদ্ম ফুলের বাগান
ভালোবাসা বৃহত্তম পাহাড় ঝর্ণা আকাশ বাতাস মাটি ফুঁড়ে ভালোবাসি ভালোবাসি তোকে

ভালোবেসে পাথরে ধাক্কা খেলে রক্ত হয়ে যায় লাল গোলাপ
অপ্রিয় কটুক্তি মনে হয় আন্তরিক প্রলেপ
অথচ সংসারী অসংখ্য প্রেমের মাঝে হৃদয়ের কথা জানাতে নিষ্ঠুর হয়
শুধু একটু তফাৎ একটু মায়া একটু ভালো লাগায় পাহাড় পাথর গলে যায়
তোমার ছিল ভীষণ জ্বালা শুধু প্রেম পিয়াসি খেলা যায় না ধরা স্বপ্ন ছিল এক বোতল ভরা
ভালোভাবে জীবন ছিল বেঁচে
তুমি দিলে আমার আশা ছেঁচে
দূরে রুপসী কন্যা যত
প্রেমের জন্য মরন থেকে সরে আসে যখন
তখন থেকে দেখি তোমায় প্রেমের ঢেউ খেলিয়ে মর্ত্যভূমি

তীব্র আকর্ষণ মনের গভীর জলের আকাশে অপেক্ষা না করে নিচের থেকে শুরু করে
কমে যায় বৃষ্টি হওয়ার সময় ঈগল মেঘের বাইরে সমস্যার মোকাবেলা করে
বৃষ্টির জল খেয়ে তখন উর্বরা
ফালতু চিন্তা না করে সহজে নিচের থেকে শুরু করি
জেনে রাখি সত্য কথা বুকে আর পেটের নিচে
একমাত্র মা ছাড়া আমি কারো কাছে প্রিয় ছিলাম না।
তবুও নীল আকাশ সমুদ্রের জল হাতছানিতে বারবার।
বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম দীঘা যাব কলকাতা থেকে বাস ধরে কয়েক ঘন্টা পর চলে এলাম একদম দীঘা।দিঘাতে এই আমার প্রথম সমুদ্র দর্শন। সমুদ্র দেখে প্রথমে বুঝতে পারিনি আকাশের নীল সমুদ্রের নীল একাকার হয়ে গেছিল। আমি অবাক হয়ে গেলাম এই বৃহৎ সমুদ্র দেখে কত ছোট আমরাই সাগরের কাছে।

সমুদ্রস্নান মনে রাখার মত এই সমুদ্র স্নান করতে বারবার ভালো লাগতো বারবার ছুটে চলে যেতাম সমুদ্রের ধারে সেখানে পাথরে বসে থাকতাম আর দেখতাম ঢেউয়ের পর ঢেউ পুলিশ মানা করত এ পাথরের ফাঁকে বিষধর সাপ ও থাকে তাই তারা বলত অন্য জায়গায় বসবেন এসব জায়গায় সাধারণত কেউ বসেনা।

সন্ধ্যাবেলায় সমুদ্রের ধারে বসে ঢেউ গুনতে আর বন্ধুরা আনন্দে মউজ করতো আমি একা এক পাশে ঝাউবনের মধ্যে গিয়ে ঘুরতাম সেখানে আমার আরো ভালো লাগতো।

আমার এক বন্ধুর নাম ছিল গৌতম গৌতম এর সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে হারিয়ে যেতাম সমুদ্রের ধারে ধারে ছবি তুলতাম কত সেইসব ছবি এখনো মনের মনিকোঠায় চির অমর হয়ে আছে এখনো ভুলতে পারিনি সেই সব দিনের কথাসকলের সাথে আমি সহজভাবে মিশতে পারি না কিছু কিছু বন্ধু আমার খুব প্রিয় ছিল তারা বুঝতে আমার অন্তরে কথা আমার স্বভাব চরিত্র সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল ছিল তাই তাদের সঙ্গে আমার বেশি ভালো লাগত।

আমি দেখতে খুব স্মার্ট নই কালো দোহারা চেহারার এক অসুন্দর যুবক। আজ অব্দি আমাকে দেখে কেউ প্রেমে পড়েনি আমি কারো প্রেমে পড়িনি। আজ কিন্তু আমি প্রকৃতির এই সমুদ্রের প্রেমে পড়ে গেলাম। প্রেম যে কত মধুর একমাত্র যার হয়েছে সেই জানে।

সেখানে পরিচয় হলো এক মেয়ের সাথে তার নাম সোমা। সোমা খুব সুন্দর দেখতে কি করে আমার মত একটা কালো ছেলে প্রেমে পড়ে গেল। সোম এতটাই ভালবেসে ফেলল যে আমার সঙ্গে লজে যেতেও কুণ্ঠাবোধ করল না।
পরেরদিন সকালে এসো মা আমাকে বললো চলো সমুদ্রসৈকতে ঘুরে আসি বলল হাতটা দাও হাত ধরে আমরা দুজনে একসাথে হাঁটবো দেখবে কত লভেলিয়ে দেখবে আমরা খুব মজা পাবো তারপর আমি তার হাত ধরলাম আঙ্গুলে আঙ্গুলে সাথে ভাঁজে ভাঁজে ঢুকে গেল তারপর হৃদয় শিহরিত হতে লাগল আমি বললাম তোমার কি অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে হচ্ছে। সোমা বলল হ্যাঁ হৃদয় খুলে যাচ্ছে। আমি বললাম আমার হৃদয় ভিজে যাচ্ছে ভালোবাসায়।

কোনোদিন ভাবতে পারিনি এত সুন্দরী এক মেয়ে আমাকে ভালোবেসে ফেলবে আন্তরিক ভালোবাসা তার শেষ হয়েছে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের অন্য জায়গায় কিন্তু সে চলে আসে আপন মনে আপন খেয়ালে সমুদ্রের ধারে সেও সমুদ্র ভালোবাসে আর এই সমুদ্র যেন আমাদের মিলন ঘটিয়েছিল।

সমা বালি নিয়ে সমুদ্রসৈকতে কি সুন্দর এক দেবী প্রতিমা তৈরি করেছিল যেটা ঢেউয়ে সে আবার ভেসে চলে গেল আমি বললাম আমাদের প্রেম এরকম হবে নাতো বালির ঘরের মতো। সোমা বলল জীবনে তো তাই জীবনে তো বাড়ির ঘরের মতো একদিন ভেবে ভেসে যাবে সব ঘর। সোমা আরও বলল তবে যতদিন বাঁচবো আনন্দ করে বাঁচবো এসব চিন্তা করে লাভ নেই এস এখন আনন্দ করি। সোমা আমাকে মানুষ করে ধরেছিল আমি মানুষ ছিলাম না আমি কারো সাথে মিশতে পারতাম না ভদ্রভাবে কথা বলতে পারতাম না কিন্তু তোমার প্রেমে পড়ার পর আমি বুঝতে পারলাম জীবন কি।

সোমা বলল জীবন অদ্ভুত শিল্প যে শিল্পী এই শিল্প ফুটিয়ে তুলতে পারে সেই তো সার্থক জীবনে দুঃখ কষ্ট আছে তাকে বড় করে দেখলে হয়না তাকে ভুলে গিয়ে সব সময় আনন্দে থাকতে হয় সেই আনন্দের খোঁজে থাকতে হয় শুধু আনন্দ শুধু আনন্দ এই আনন্দের অপর নাম দেবতা বা ঈশ্বর।

সোমা বলল আমরা শুধু টাকা পয়সার পিছনে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু এই আনন্দের পিছনে যদি আমরা ঘুরে বেড়াতে পারতাম তাহলে জীবনে এত সুন্দর অনুভব হত যে জীবনকে ভালবাসতে ইচ্ছে করত কিন্তু আমরা পারি না আমরা শুধু টাকা পয়সার পিছনে ছুটে বেরিয়ে আমাদের জীবনের মূল্যবান সময়টা নষ্ট করি।

সমাহার ও বলেছিল তুই কোন জাত পাত নয় মানুষই একমাত্র ধর্ম মানবতা একমাত্র ধর্ম মানুষকে ভালোবাসায় একমাত্র ধর্ম এসো আমরা ভালোবেসে মানুষকে ভালবাসতে শিখো জগতকে ভালবাসতে শিখি।

তারপর আমরা বিয়ে করেছিলাম এক মন্দিরে আমি বাড়ি নিয়ে গেছিলাম তাকে আমার বাবা-মা কিন্তু কোন অমত করেননি তাকে গ্রহণ করেছিল সুন্দরভাবে আর সময় ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছিল বাড়ির সকলে।

সোমা আমার বাড়ি পরিবেশ পাল্টে তুলেছিল সবাই তাকে ভালোবাসতো সবাইকে থেকে এসে ভালোবাসার কথাই বলতো।

কিন্তু ভাল লোকেরই তো কষ্ট বেশি।

Sudip Ghoshal
Purbo bordhoman.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *