বিয়ে করো পরীক্ষা দিয়ে

#বিয়ে_করো_পরীক্ষা_দিয়ে
#শম্পা_সাহা

ইন্দোনেশিয়ো সরকারের এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ।বিয়ে করতে গেলে শুধু পাত্রপাত্রী বা দুই পরিবার রাজী হলেই হবে না,বিয়ের আগে সরকার প্রবর্তিত একটি কোর্স করতে হবে পাত্রপাত্রী উভয়কেই।এবং কোর্স শেষে হবে পরীক্ষা।পরীক্ষায় পাশ করলে প্রাপ্ত সার্টিফিকেটই তাদের বিয়ের ছাড়পত্র।

অনেকেই হাসবে,এ নিয়ে খিল্লি করবে,অনেকেই আবার এ শুনে জ্ঞান গর্ভ বক্তৃতা ঝাড়বে,”যুগ যুগ ধরে বিয়ে চলে আসছে তার জন্য কোর্স আবার কেন?যত্তসব ঢং!”

কিন্তু ভাবুন ইন্দোনেশিয়ার মত একটা ছোট্ট দেশেও মানুষ এবং তাদের ইমোশন তাদের ভালো থাকা মন্দ থাকা সরকার কে কত ভাবায়!কত ভাবে সরকার চেষ্টা করে তাদের দেশের অধিবাসীদের ছোট খাটো বিষয় নিয়েও মাথা ঘামাতে!ভালো রাখতে!

একটা মেয়ে যখন বিয়ের পর নতুন শ্বশুরবাড়িতে যায়, তখন ওই অচেনা পরিবেশে মানিয়ে নিতে তাকে যে প্রবল টানাপোড়েনের সম্মুখীন হতে হয় সেই বিষয়ে একটা শিক্ষা মূলক কোর্স।যাতে সে ওই অচেনা পরিবেশে সহজে মানিয়ে নিতে পারে ও নিজের দায়িত্ব কর্তব্যগুলো বুঝে পালন করতে পারে।

আর ছেলেটির ক্ষেত্রে, সে যে এক নতুন ভূমিকায় এল,তার দায়িত্ব কর্তব‍্য ভূমিকা সব সম্পর্কে তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাতে তারও নতুন ভূমিকায় কোনো অসুবিধা না হয়।

এখানে কেউ অকৃতকার্য হলে তাকে আবার প্রশিক্ষণ নিয়ে পাশ করতেই হবে না হলে সে বিয়ের ছাড়পত্র পাবে না!

বিবাহ পরবর্তী মতবিরোধ, তর্কবিতর্ক, জটিলতা সর্বোপরি ডিভোর্স এড়াতেই এই ব‍্যবস্থা!আর আমরা?

কবে যে আমাদের সরকার, সে যে দলই হোক আমাদের মানুষ বলে মনে করবে কে জানে?

©®

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top