২১ এর কবিতা – ১৯.০১.২০২১

MY HEART – CHANNACHHARA

Deep inside my heart
There is a pain though!
It always tries to
Come out as rain of sorrow.

Sometimes it makes me
Feeble and weak,
To fight against
The turmoil of life.

Then it reminds me
The pain of the poor,
Which is ever bigger
More than of me sure.

It soon makes me stronger
More than ever before,
To face the problems
With ease more and more.

My heart keeps up
Beating again and again,
To avoid the agony
Comes with that pain.

So I always try
To be happy what,
I have with me
Given by the almight!

MY HEART ----- CHANNACHHARA

ফরসা রং এর মেয়ে – শম্পা সাহা

আজকাল আর অফিস ফেরত দেখা করার বায়না ধরি না
ফুচকা খাবো তাও বলি না
যখন তখন ফোনে শুনতে চাই না
সেই মূল্যবান শব্দগুচ্ছ
আজকাল দুপুর বড় রঙহীন যেমন বেরঙীন
সদ্য বিধবার সাদা থান
একফোঁটা রঙ হলেই অনেক টা রাঙিয়ে দেওয়া যায়
কিন্তু তুমি চাও না তা
সমাজ সংস্কার লোকলজ্জার ভয় বড্ড বেশি লোক দেখানো মনে হয়
মনে হয় প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলেই এতো আরষ্টতা
আগেও তো মৌলালী ততটাই ভিড়
জন প্লাবন তখনও তো গড়িয়াহাটের মোড়ে
তখনো তো রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতো, থাকতেই পারতো
কাকা, দাদা, জ্যাঠারা
তখন তো কোনো বাঁধন ছিল না
ছিলোনা লোকে কি বলবের ভয়
আমার কালো রং এ আমি তখন কৃষ্ণকলি
আমার ঠোঁট গোলাপের পাপড়ি
আজ বোধহয় সব চিঠি পড়া হয়ে গেছে
রহস্য উন্মোচিত নির্দ্বিধায়
তাই তো লোকলজ্জা, সমাজ, পরিবার, অফিস
কতো কতো বাধা
আগে যেন এদের কোনো অস্তিত্বই ছিল না

আসলে আগে তোমার পাশে বসতো না সেই সুন্দর চকচকে ফরসা মুখের মিনিস্কার্ট
আগে তোমার অফিস ফেরত বিকেল গুলো ছিল একা
তখন তোমার তেষ্টা পেলে যখন তখন ভিজিয়ে নিতে আমার কাছে চেয়ে
আজ কে আমি বড্ড খেলো বড্ড সেকেলে
তোমার পাশে মানায় ঐ চকচকে মুখ ফরসা রং এর মেয়ে
শুধু ই মানায় চকচকে মুখ ফরসা রং এর মেয়ে।

ফরসা_রং_এর_মেয়ে

শেষ বিকেলের একটি কথা   
গোবিন্দলাল হালদার

খুব কষ্ট করে হলেও শেষ বিকেলে
তোমার সাথে একটি কথাই হলো
গোধুলি অধ্যায় পাঠ করো,পাঠ করো
সুর্য যাবে রাতের বাসব ঘরে।

সুর্যোদয়কাল খেয়ে গেছে আলসেমির মুখ।

অবশেষ ঘুম থেকে জেগে ওঠে।
পূর্বের সেট মিলাতে যায় ভগ্নাংশের জমিনে
যে জমিনে সাদা মাটির শরীরে চাষ করে গৌরব উপন্যাসের আঠারো অধ্যায়। আর ফলার কামরে বিক্ষতের যাপন দিন পালন করে। ভাবনা এখানে। আমরা এও জানি ইচ্ছা করে কেউ নষ্ট ফল
কিনে নিবে না বাজারি পলিথিন ব্যাগে ।

বিকেলের সেই একটি কথাই —আমাকে তুমি
দেখবে আপদমস্তক। শত্রু আর শণিতের —এই কী
সেই রূপান্তর দেহের পূর্বের মানুষটি।
গোবিন্দলাল হালদার

করবে হৃদয় উজাড়  – বিশ্বনাথ পাল

যদি হঠাৎ  জংলা বনে
এমন কিছু হয়।
 ঘরের কোনে অকারণে
 না জমে বিস্ময় ।
মনের  সুখে গাইতে গান
স্বরলিপি  সাধা
ফুস মন্তর যন্তর তোর
চির গোলোক ধাঁধা ।
যায় না চেনা আপন পরে
যায়  না চেনা ভালোয়
সব জায়গায় ছোপ ফেলেছে
মহামারির  কালোয়।
তাই তো আমরা জনে জনে
আজকে  দিশাহারা
ভ্যাকসিনে ওই করোনা মা
হয় যেন  বিশ্বছাড়া।
আবার মাঠে খেলবে ছেলে
ইস্কুলেতে জমবে ভীড়
ট্রেনে ট্রামে বাদুর ঝোলা
চিত্ত যেন হয় অধীর।
মুখের মুখোশ যাবে উড়ে
থাকবে নাকো আর
সবাই  সবার মঙ্গলেতে
করবে হৃদয়  উজাড়।।
করবে হৃদয় উজাড় /বিশ্বনাথ পাল

প্রয়োজন আছে –সুমিত মোদক

আমাদের একটা আকাশ প্রয়োজন ছিল ;
একটা গোটা আকাশ …
যে আকাশে সারাটা দিন সূর্য আলো দেবে ,
ঝলমলে আলো , জীবনের আলো …
সে আলো গুলোকে কুড়িয়ে কুড়িয়ে রাখবো বুকের ভিতর ;
প্রজন্মের জন্য …

সেই কবে তোমার সঙ্গে হেঁটে এসেছি গুহা জীবন থেকে ,
এ সময়ে ;
তার পর আর পিছন ফিরে তাকাইনি কোনও কালে ;
কেবল এগিয়ে গিয়েছি সামনে ,
নিজের দিকে ;
নিজেকে আজ ভীষণ প্রিয় মনে হয় ;
তোমাকেও …

হটাৎ করে এতো কুয়াশা , এতো ধোঁয়াশা ,
এতো আলো-ছায়া …
আগে কখনও দেখেনি ;
সেখান থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসছে সভ্যতার প্রেতাত্মা ;
সমাজের প্রেতাত্মা …

দুজনে যে একটু নিরিবিলিতে প্রেম করবো ,
অভিসারে যাবো সে উপায় নেই ;
কোনও না কোনও অশুভ শক্তি এসে ঢুকে পড়ছে আমাদের আটপৌরে জীবনাচারে ;
আমাদের সহজ সরল পদচারণ ভূমিতে ;

আমাদের একটা আকাশ প্রয়োজন আছে ;
ঝলমলে আকাশ …
যে আকাশ আমাদের মন্ত্র দিয়ে যাবে ,
বৈদিক মন্ত্র ;
নতুন আরেক জীবনের মন্ত্র …

অশ্বমেধের ঘোড়া তাই ছেড়ে দিয়েছি
সভ্যতার বুকে , সমাজের বুকে ;
সে ছুটে চলেছে টগবগ…টগবগ…টকবগ…টগবগ…টগবগ…টগবগ…

সুমিত মোদক

চলমানতায় – সুকান্ত মজুমদার

জীবনের সাথে আছি
সেতো রাতের নীরবতায় ফোঁটা ফুল
নতুন সকালে ঝরে যাওয়া,
সুগন্ধের হিমবাহে নিয়মিত আশাহত
ফুরিয়ে যাওয়া এবং শুকিয়ে যাওয়া –
হয়ে পরিত্যক্ত পুরাতনী গান।
অগ্রাহ্য সুখপাঠ্য ভুলে
কোন অব্যক্ত বেসুরো ভালোবাসা
কিছু সন্ধিহান অনুরাগ নিষ্পেষণ
সামর্থ্যের নাগালে টেনে হিছড়ে
আনবার প্রয়াস স্বপ্নের মত জড়তা,
ঐ সেই চিরন্তনী প্রলাপ স্বরূপ
খুজে পেলাম সম্পর্কের আহ্লাদ
সব ভেসে গেল, উড়ে গেল সে সাধে
আবার আমিই আমার
সত্যিকারের আপন হয়ে উঠলাম –
যখন বাইরে বৃষ্টি থামলো
ভিজে যাওয়া কথা অনিচ্ছার বারান্দায়
নিরুৎসাহিত দেহে কিছুই না ভালো
লাগার জ্বর নিয়ে,
একমনে আনমনে বাকরুদ্ধ
চেয়ে থাকা, দেওয়া নেওয়ার দীগন্তে।
চলমানতায়
নানা রুপে তুমি  -দেবদাস কুণ্ডু
গভীর শীতে ডুবে থাকে তোমার হৃদয়
তোমার শরীর থেকে উঠে আসে মৎস্যকন্যা
তোমার বুক চিরে মেঘেরা দেয় ডাক
তোমারই গলায় হারান বাঁশির সুর
তুমি হয়ে ওঠো রাতের অমলিন চাঁদ
তোমারই চোখের জমিতে শুয়ে থাকে জ্যোস্না
তোমারই শরীরে বয়ে যায় রুপসি নদী
আমি মাঝে মাঝে অবগাহন করি আকন্ঠ
কখনো উজানে সাঁতার কাটি তোমার বুকে
তুমি কখনো হাসনুহানা ফুল হয়ে ঝরে পড়ো উঠোনে।
সেই তীব্র  গন্ধে আমি ভ্রমন করি গভীর অরন্যে
তুমি কখনো আকাশ হয়ে জেগে থাকো হৃদয়ে
আমি মেঘ হয়ে ভেসে বেড়াই দুই বাংলায়
তুমি কখনো সখনো নূপুর হয়ে বেজে ওঠো
আমার ঘুমহীন রাত কাটে সুরের জলাশয়
কখনো তোমার চুল মেঘ হয়ে বৃষ্টি ঝরায়
আমার উদাসি তপ্ত হৃদয় অলিন্দে
তুমি কখনো হরিন হয়ে ছুটতে থাকো
আমি পথ হারাই অন্ধ প্রেমিকের মতো।
নানা রুপে তুমি /দেবদাস কুণ্ডু

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top