৮৩০ কিলো ওজনের কুমড়ো, যাঁরা দেখেছেন তাঁরাই থ’ – সিদ্ধার্থ সিংহ

 [post-views]

অত্যন্ত যত্ন করে ৮৩০ কেজি ওজনের একটি কুমড়ো ফলিয়েছেন মহম্মদ সাদিক নামের এক চাষি। সেই কুমড়োর ছবি দেখে হা হয়ে গিয়েছেন সবাই। আর যাঁরা সেই কুমড়ো সামনে থেকে দেখেছেন, তাঁদের কথা না হয় বাদই দিলাম!
 
সেই কমড়োটিকে নিয়ে আসা হয় একটি কুমড়ো প্রদর্শনীতে।‌ অত বড় কুমড়োর কথা শুনেই আশপাশের মানুষ জন উপচে পড়েন। শুধু কুমড়োর ছবিই নয়, অনেকেই সেই কুমড়োর পাশে দাঁড়িয়ে সেলফিও তোলেন।
 
আসলে প্রতি বছরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার লেহি শহরে মহাধুমধাম করে কুমড়ো প্রদর্শনী হয়। প্রদর্শনীতে আসা প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত কুমড়োগুলোকে নিয়ে ঘটা করে একটি প্রতিযোগিতাও হয়।
 
শুধুমাত্র কুমড়োর আকার, গঠন কিংবা রংই দেখা হয় না, তার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কুমড়োর গুণগত মানও পরখ করেন বিচারকরা। তার পরেই বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
 
প্রত্যেক বারের মতো এ বারও আয়োজন করা হয়েছিল সেই কুমড়ো প্রতিযোগিতা। আর সেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা কুমড়ো চাষিরা। যাঁরা সারা বছর ধরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য। দিনরাত এক করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফলান চোখ ধাঁধানো এক-একটি বিশালকায়, সুস্বাদু, সুন্দর কুমড়ো।
 
আর সেখানেই এই ৮৩০ কিলো ওজনের কুমড়োটিকে নিয়ে এসেছিলেন মহম্মদ সাদিক। সেই কুমড়ো দেখে তো সবার চোখ একেবারে ছানাবড়া। অবশ্য প্রতিযোগিতায় যতগুলো কুমড়ো এসেছিল তার কোনওটার ওজনই ৪০০ কিলোর কম নয়। 
 
প্রতি বছরই মতো এই প্রদর্শনীর ১৬তম বছরেও বহু চাষি নিজেদের জমিতে ফলানো কুমড়ো নিয়ে এসেছিলেন। তবে এর আগে‌ আজ পর্যন্ত কোনও চাষিই ৮৩০ কিলো ওজনের কোনও কুমড়ো নিয়ে কখনওই আসেননি।
 
ফলে আগত দর্শকেরা তো বটেই, এমনকী বিচারকেরা নিজের চোখে দেখেও, এত বড় আকারের কুমড়ো যে আদৌ হয়, সেটাই যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। 
 
তাই এই পুরস্কার জেতার অন্যান্য দিকগুলো খতিয়ে না দেখেই, শুধুমাত্র বিশাল আকার এবং ওজনের জন্যই বিচারকেরা সবাই মিলে এক বাক্যে এই কুমড়োটিকেই প্রথম পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছেন।
সিদ্ধার্থ সিংহ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top