ভাববাদ ও বস্তবাদ –  স স আলম শা্

ভাববাদ ও বস্তবাদ – স স আলম শা্

  • Post category:প্রবন্ধ
  • Post comments:0 Comments
  • Post last modified:December 1, 2020
  • Reading time:1 mins read

শুরুতেই একটা কথা না বললে আমার লিখার সার্থকতা হবে না কারণ যদি একজন ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, আপনার ধর্ম্ আছে ? তখন সে ব্যক্তি উত্তর দেয় তাঁর ধর্ম্ আছে এবং সে ধর্ম্ কে মানে এবং পালন করে তখন যদি বলি ধর্মকে দেখেছেন ? তখন সে বলে, না ধর্ম্ দেখা যায় না এবং ধর্ম্ দেখার বিষয় নয় এমন উত্তর পৃথিবীর সকল মানুষের কাজেই ধর্ম্ যেহেতু দেখা যায় না তবে সেটা মানে বা পালন করে কি ভাবে ? বস্তুজগতে কোন প্রানী বা পশুকে বা জড় পর্দাথকে লালন পালন করা যায় কারণ সেটা দৃশ্যমান

কিন্ত ধর্ম্ কোন দৃশ্যমান বস্তু নয় যে, সেটাকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা যায় বা আলমারীর ভিতর রাখা যায় ধর্ম্ যেহেতু কোন বস্তুগত উপাদান নয় কাজই ধর্মকে ভাবের মাধ্যমে মনে প্রানে ধরণ করতে হয় ভাব, মন, ধর্ম্ সবই অদৃশ্যমান পরম সত্বার দান, যাহা দেখা যায় না তবে অনুভব করা যায় বস্তুজগত দেখে তাই ধর্ম্ মানা বা পালন করার বিষয় নয়, ধর্মকে ধরণ করে খোদার কাছে ক্ষমা বা আরাধনার মাধ্যমে ইবাদত করে যেতে হয় মৃত্যুর পূর্ব্ মর্হুত পর্যন্ত দেখা যায় ধর্ম্ ভাব বস্তর সংমিশ্রনে সৃষ্টি কাজেই এখানে ভাববাদ বস্তুবাদ কি ? বিষয়ে জানার জন্য প্রথমই বলব, বিশ্ব সৃষ্টি সর্ন্পকে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বস্তুবাদ ভাববাদ এই দুইটি মৌলক অভিমতের অপ্রতিহত দ্বন্দ চলে আসছে বিজ্ঞানের জন্ম লগ্ন থেকে বস্তুবাদীরা মনে করেন, বস্তুবাদ কোন কাল্পনিক অভিমত নয়, যে কোন যুগের বৈজ্ঞানিক বিকাশের সুত্রকার বিবরনেই বস্তুবাদ বিজ্ঞানের বিবরণ যেমন বস্তবাদ, তেমনি বস্তবাদ আবার বিজ্ঞানের অগ্রগতির হাতিয়ার

বস্তুবাদকে দুভাগে ভাগ করা যায় সাধরণ বস্তুবাদ এবং দার্শনিক বস্তুবাদ সাধারণ বস্তুবাদ এমন একটি অভিমত যা ভাব থেকে প্রভাবমুক্ত এবং প্রমান সিদ্ধ কিন্ত জগতের বৈচিত্র এবং বির্বতনের ব্যাখ্যার জন্য সাধরণ বস্তুবাদ যথেষ্ট নয় সাধরণ বস্তুবাদ একটা প্রমান সিদ্ধ মতবাদ মতবাদ দিয়ে সব কিছুর ব্যাখ্যা চলে না তাই এখান থেকে জন্ম নেয়, দার্শনিক বস্তুবাদের জগত সর্ন্পকে দার্শনিক বস্তুবাদের সারর্মম হচ্ছে, বস্তু এবং মন বা ভাবের মধ্যে বস্তু হচ্ছে প্রধান মন চেতনা এবং ভাব হচ্ছে অপ্রধান এরই অনুসিদ্ধান্ত হচ্ছে অবিনশ্বর এবং স্বাশত

সৃষ্টির্কতা বা অপরকোন বহিঃশক্তি বিশ্বের স্রষ্টা নয় বিশ্ব হচ্ছে বস্তু চেতনা বিশ্বের বিবর্তনের সৃষ্টি এখন প্রশ্ন জাগতে পারে বস্তু কি ? সন্পর্কে যে মতবাদ পাওয়া যায় তা হচ্ছে, চেতনা প্রতিফলিত কিন্ত চেতনা নিরপেক্ষ বাস্তব অস্হিত্বকে বস্তু বলে বস্তকে এভাবে সহজ ভাষায় বুঝানো যায় বস্তু হচ্ছে ভাব নিরেপেক্ষ যার ভর আছে অথবা দৃশ্যমান আকৃতি আছে অথবা স্হান দখল করে আছে, এমনকি চেতনায় প্রতিফলিত হয় বাস্তব রূপে বস্তুর বাস্তব রূপ আছে বলে বস্তুবাদীরা যে কোন বিষয়কে প্রমান দ্বারা বুঝাতে সক্ষম তাঁরা কল্পনার ধার ধারে না

বিশ্ব সৃষ্টি সন্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভাববাদীরা যে ধারনাকে প্রথম আকারে ধরেছেন তা হচ্ছে মন বা অবস্তুই হচ্ছে প্রধান বস্তু প্রধান নয় ভাব বলতে বুঝায় কোন কিছু সন্পর্কে মানুষের মনে অস্হিত্ব রূপে স্হান দেয়া ভাবের সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা পাওয়া যায়নি ভাব মনের ব্যাপার বলেই একটা প্রচলিত মতবাদ রয়েছে অন্যদিকে ভাবের উৎপত্তি কি ভাবে হয়েছে সন্পর্কেও স্হির কোন মতবাদ পাওয়া যায়নি

বস্তুকে যেমন চোখের সামনে এনে দেখিয়ে দেওয়া যায়, ভাবকে তেমন দেখানো যায় না মনোবিজ্ঞানে ভাব দ্বারা মানুষিক ক্রিয়াকে বুঝানো হচ্ছে মনোবিজ্ঞানের বক্তব্য যর্থাথ নয় মানসিক ক্রিয়া ভাব হতে পারে না বরং বলা যায় মানসি ক্রিয়া থেকে ভাবের উৎপত্তি জ্ঞানত্বতে ভাব হচ্ছে জ্ঞানের মাধ্যম জ্ঞানত্বতের কথাও যর্থাথ নয় জ্ঞান এবং ভাবের মধ্যে জ্ঞানত্বতে যতটা পার্থক্য সৃষ্টি করা হয়েছে ততটা পার্থক্য নয় কথাটা ভাবে বলা হলে অনেকটা যক্তিযুক্ত হতে পারে যে, মন হচ্ছে জ্ঞান অথবা ভাবের সৃষ্টির মাধ্যম অথচ সন্মপূর্ণ্ বিষয়টি হচ্ছে ভাবের ব্যাপার জ্ঞান যেমন ভাবের ব্যাপার তেমনি মনটাও ভাবের ব্যাপার প্র্রসঙ্গে একটা কথা এখানে উল্লেখ যোগ্য যে, বস্তু বলতে আমরা একটা মৌলক সত্বাকে বুঝি যার সৃষ্টি নিজস্ব প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বস্তু সৃষ্টির পরেই প্রানীর সৃষ্টি

অর্থাৎ মানুষের সৃষ্টি বস্তুর মধ্যে দিয়ে মানুষের দেহ আছে বলেই মানুষের মন আছে কিন্ত মন এবং আত্মা এক নয় তবে আত্মা থেকেই মনের উৎপত্তি শুধু মন কেবল ভাবের জন্ম দিতে পারে না মনোবিজ্ঞানের ভাব দ্বারা মানসিক ক্রিয়াকে বুঝানো হচ্ছে কিন্ত মানষিক ক্রিয়া তখনি হয় যখন ইন্দ্রীয় গুলোর মাধ্যমে বস্তুজগতের সাথে মনের সংযোগ ঘটে অতএব বুঝা যায়, বস্তুর প্রতিরুপ যা কল্পনায় মনে প্রতিফলিত হয় তাই হচ্ছে ভাব কল্পনা বলতে এখানে মানুষিক ক্রিয়াকেই বুঝানো হচ্ছে প্লেটো ভাব বলতে কেবল মনের সৃষ্টি বুঝাতেন

কিন্ত বস্তু ভাবকে মনের মধ্যে তৈরী করে কিংবা ভাবের উৎস হচ্ছে বস্তু সাধারণ এই মতকে অস্বীকার করে প্লেটো বলেন, এতে মনে হতে পারে যে, বস্তু হচ্ছে প্রধান, ভাব হচ্ছে অপ্রধান, এবং ভাব বস্তুর উপর নির্ভরশীল প্লেটোর মতে মনের বাইরে ভাবের নিজস্ব একটা সত্বা আছে ভাবের সেই সত্বাই মনের সকল ভাবের উৎস যেমন জ্যামিতিকের ত্রিভূজের কথা বলা হচ্ছে ত্রিভূজের ভাব মনে ধরণা করা হয় ত্রিভূজ মানুষের বস্তুজগতের জ্ঞানের একটি মাধ্যম কিন্ত বস্তুজগতের ত্রিভূজের কোন অস্হিত নেই কাজেই কথা বলা চলে না যে, ত্রিভূজ নামক কোন বস্তু মানুষের মনে ত্রিভূজ ধারনার সৃষ্টি করে

অভিজ্ঞবাদী জন লকের মতে, মানুষ যা কিছু সর্ন্পকের চিন্তা করে তাই তাঁর মনের ভাব প্লেটোর দর্শনে বস্তুকে বাদ দেয়া হলেও জন লকের দর্শনে বস্তুর উপস্হিতি আছে জন লক উদারণ দিতে গিয়ে বলেছেন, একটা টেবিল সর্ন্পকে যখন চিন্তা করি তখন টেবিল নামক ভাবটাই বস্তু নয় টেবিলের রূপটাই ভাব কিন্ত উৎস বস্তু

এতো গল বস্তু এবং ভাবের কথা বা উৎস কিন্ত দুটোর আপেক্ষিকতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ভাব না থাকলে বস্তর অস্হিত থাকতে পারে না আবার বস্তু না থাকলে ভাবের উদয় হয় না যেখানে বস্তু আছে সেখানেই ভাব আছে যেমন কলমটার কথাই ধরা যায় কলমটা দৃশ্যমান ভাব কখনো দৃশ্যমান নয় এখানে কলমের মধ্যে একটা শক্তি নিহিত আছে যা দৃশ্যমান নয় বা দেখা যায় না শক্তির করণে আমরা কলমকে কলম হিসাবে দেখতে পাচ্ছি এবং কলম দিয়ে লিখতে পারচ্ছি শক্তি ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কলমটি বিনিষ্ট হয়ে যাচ্ছে

কলম আর কলম থাকছে না বিজ্ঞানীরা বলেছেন পর্দাথের ধংস নেই, শুধু রূপান্তরিত হয় এই রূপান্তরের মূল কারণ হচ্ছে শক্তি বস্তুর যতটা নিজস্ব শক্তি আছে, তাঁর চেয়ে অধিক শক্তি হচ্ছে ভাব আমরা আমাদের দেহ মন দিয়েই বিচার করতে পারি দেহ হচ্ছে বস্তু মন হচ্ছে ভাব দেহ না থাকলে মনের স্হান কোথায় ? মন না থাকলে তাঁর প্রানের কি মূল্য আছে ? আর প্রান না থাকলে দেহ কেবল একটা পচনশীল পর্দাথ হয়ে দাঁড়ায়

বস্তু এবং ভাবের যে কি নিভির সর্ন্পকযুক্ত এটাকে অগ্রহ্য করে যারা বা কোনো ব্যাখ্যা দিতে চষ্টা করেন পরর্বতী কালে যুক্তির ধুলাইতে টিকতে পারেনি এটা শুধু ভাববাদীদের বেলায় নয়, বস্তুবাদীদের বেলাও বস্তুবাদীদের অনেক প্রমান সিদ্ধ মতবাদ সময়ের দোষে দুষ্ট বলে প্রমানিত হয়েছে যারা শুধু বস্তু নিয়ে আছেন এবং ভাবছেন তারাই আবিস্কারের ফলক উন্মোচন করে মানব সভ্যতাকে ধাপে ধাপে এগিয়ে দিয়েছেন এটা যেমন ভ্রান্ত ধারণা, তেমনি তারা ভাবকে সঠিক মতবাদের চাবিকাঠি মনে করেন তারাও নিঃসন্দেহে একটা সীমাবদ্ধতার মধ্যে আটকা পড়ে আছে বস্তুবাদ এবং ভাববাদের সৃষ্টির আকারে যে একই কেন্দ্র বিন্দু, এটা আজ আর অস্বীকার করার অবকাশ নেই

আধ্যাত্মিক সত্বা সর্ন্পকে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে ভাবের সৃষ্টির ব্যাপারে আগে বলা হয়ছে বস্তু এবং মনের সংযোগের ফলে যে মানসক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, তার মধ্যে দিয়েই ভাবের সৃষ্টি কিন্ত নিরীক্ষন ব্যতীত অবার মন এবং বস্তুর সংযোগ ঘটতে পারে না অন্য দিকে আধ্যাত্মিক সত্বা না থাকিলে নিরক্ষনের কোন মূল্য নেই যে নিরক্ষনের মূল্য দর্শনের ক্ষেত্রে নেই, তাকে বলা যায় বৈষয়িক দৃষ্টি দার্শনিক দৃষ্টি কেবল আধ্যাত্মিক সত্বার কারণেই হয়ে থাকে ভাব এবং জ্ঞানের উৎপত্তির বেলায় এই নিরক্ষন কতটা গুরুত্ব বহন করে, এটা হঠাৎ করে অনুধাবন করা কঠিন

কোন খ্যাতনামা মনিষীকে যদি জন্ম থেকে কোন বন্দীশালায় আবদ্ধ করে রাখা হত তাহলে কোন প্রকারেই তাঁর মনীষার বিকাশ ঘটতে পারত না কারণ প্রকৃতি হচ্ছে জ্ঞানের ভান্ডার বস্তু বা প্রকৃতির সাথে মনের সংযোগ নিরক্ষনের মধ্য দিয়েই হয়ে থাকে কাজেই আধ্যাত্মিক সত্বার পরের স্হান নিরক্ষনের প্রসঙ্গে একটা কথা পরিস্কার হওয়া বাঞ্চনীয় যে, আমরা ইতি র্পূবে বলেছি যে, মন ভাবের সৃষ্টি করে এবার আমরা জোর গলায় বলতে পারি যে, সব মন ভাবের সৃষ্টি করে না সব মন যদি ভাবের সৃষ্টি করতে পারতো, তবে পৃথিবীর সব মানুষ দার্শনিক বা বিজ্ঞানী হয়ে যেত শুধু সেই মন ভাবের সৃষ্টি করতে পারে যার মধ্যে আধ্যাত্মিক সত্বা বিরাজমানঃ

(আধ্যাত্মকসত্বা+নিরক্ষন+বস্তু+মন)জ্ঞান বা ভাব আর এই জ্ঞানই হচ্ছে সব শাখা জ্ঞানের উৎস বস্তুবাদ বা ভাববাদ, দুটু হচ্ছে প্রধান শাখা জ্ঞান শুধু বিশ্বাস বা দর্শন নয়, আধ্যাত্মিক এবং নাস্তিকতা দুটোর উৎপত্তির উৎসও জ্ঞান নাস্তিকতা অবশ্যই একটা জ্ঞান, তবে পরির্পূণ জ্ঞান নয় অন্ধবিশ্বাস এবং পরিপূর্ণ্ বা যুক্তিভিত্তিক বিশ্বাসের মাঝে হচ্ছে নাস্তিকতা আধ্যাত্মিকতা অনেকটা ভিন্ন এখানে বিশ্বাসের প্রশ্নটির গুরুত্ব তেমন নেই কারণ সরাসরি আধ্যাত্মিকতা প্রত্যেকটি প্রশাখা জ্ঞানের মূল হচ্ছে জ্ঞান বস্তুবাদ এবং ভাববাদের শিকড় জ্ঞানের নিগুড়ে অনুস্যুত অবশ্য দুটোর উৎাত্তি একই স্হান থেকে হলেও দুটোর পথ প্রকৃতি ভিন্ন, কিন্ত একটি অপরটির উপর আপেক্ষিক একটি অপরটির সন্মপূরক একটির অনুপস্হিতে অপরটি অচল দর্শন আলো দান করে, বিজ্ঞান সে আলোতে পথ চলে দর্শন দেয় যুক্তি বিজ্ঞান দেয় প্রমান অতএব বিজ্ঞান বা বস্তুবাদ এবং দর্শন বা ভাববাদ এর কোনটি বড় এবং কোনটি ছোট প্রশ্ন অবান্তর কারণ স্ব স্ব ক্ষেত্রে উভয়েরই গুরুত্ব সমান অতিতে বিজ্ঞানীরা প্রমান দিয়েছেন কিন্ত যুক্তি টেকেনি

তাই সমালোচকদের কাছে কোনো মতবাদ গ্রহন যোগ্য হয়নি হয়নি সবর্ব্জনস্বীকৃত দার্শনিকদের মতবাদ ছিল ইন্দ্রিয় নির্ভর। যার মধ্যে কোন যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি প্রমানের কোন প্রশ্নই উঠে না মূল সমস্যা কিন্ত এখানেই প্রমানের যেমন বস্তুর প্রয়োজন, যুক্তিতে তেমনি ভাবের প্রয়োজন প্রমানের মধ্যে যদি যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায়, সে মতবাদই হতে পারে কালজয়ই তবে আজ আমরা বিষয়ে সম্যক অবগত যে সব ব্যাপার মূলতঃ সর্ন্পূণ সময় সাপেক্ষ জ্ঞানের উৎর্কষের সাথে যুক্ত এবং প্রমানের গুরুত্ব বড় হয়ে দেখা দিয়েছে আজকে কোন মতবাদকে কালজয়ই হিসাবে বলা গেলেও অতীতে দাবী যুক্তি সংগত ছিল না বা সন্ভবও ছিল না

আজকে দাবী কতটা নির্ভর যোগ্য তা যাচাই করতে হলে যক্তি প্রমানের প্রয়োজন যুক্তি এবং প্রমান দুটোর সন্মনয় অথবা ভাববাদ বস্তুবাদের দ্বন্দের মধ্যে দিয়ে আমরা একটি নতুন মতবাদের জন্ম দিতে পারি যার নাম নিরেপেক্ষবাদ বা সন্মনয়বাদ নিরপেক্ষবাদ বস্তকে যেমন অস্বীকার করে না, তেমনি অস্বীকার করে না ভাবকে যার মধ্যে দুটোরই গুরুত্ব সমান এত আলোচনা সমালোচনার পর বস্তুবাদ এবং ভাববাদের মধ্যে কোন প্রকার দ্বন্দ থাকার কথা নয় কাজেই আমাদের বিশ্বাস এবার আমরা সৃষ্টির উৎস সর্ন্পকে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হব তবে সটা যে পরিপূর্ণ্ ব্যাখ্যা হবে তা বলা যাবে না, আবার যে অপূর্ণতা হবে তাও বলর উপায় নেই কারণ জ্ঞানের উৎর্কষতা সৃষ্টির আদি পর্যন্ত বিস্তিত হতে থাকবে এটা সৃষ্টি কর্তার চলমান প্রক্রিয়া যার শেষ কোথায় এখনও তা নিরূপন করা সন্ভব হয়নি

স স আলম শা্

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply