স্বপ্ন দুপুর –  দেবদাস কুন্ডু
debdas kundu

স্বপ্ন দুপুর – দেবদাস কুন্ডু

.

আমার বয়স তখন কুড়ি। প্রতি বছর মার্চে আমি জ্বরে পড় যায়।আমি থাকতাম ঠাকুমার বাড়ি। কিন্তু যখন জ্বর হতো চলে যেতাম মার কাছে। সেবার মান গেছে মাসি বাড়ি। ঠাকুমা সেবা যত্ন করছে।কাছের মন্দিরে গেছে পূজো দিতে। আমি বাড়িতে একা।দুপুরবেলা। শুয়ে আছি আমার ঘরে। গায়ে জ্বর।

হঠাৎ চমকে উঠলাম। বিশ্বাস হচ্ছে না এ আমি কাকে দেখছি। আমার সামনে দাঁড়িয়ে স্বপ্না।কলেজ বান্ধবী।ওকে নিয়ে কতো ঘুরেছি।সকলে বলতো আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। স্বপ্নাকে দু একবার চুমু খেয়েছি। স্বপ্না আপত্তি করেনি।

কিরে বোবা হয়ে গেলি যে? বিশ্বাস হচ্ছে না আমি এসেছি?

সত্যি আমরা বিশ্বাস হচ্ছিল না।
চারদিন কলেজ যাসনি।মন খারাপ লাগছিল।মনে হচ্ছিল কতোদিন তোকে দেখি না।
জ্বর হয়েছে যে।যাবো কি করে?একশা তিনের ওপর জ্বর।

দেখি-বলে ও আমার বুকে সহ হাত রাখলো-মনে হচ্ছে আরো বেশি হবে। থার্মোমিটার আছে?
আছে। ঠাকুমা কোথায় রেখেছে কে জানে।
কি করে জ্বর বাধালি? বৃষ্টি ভিজিছিলি নাকি?

স্বপ্না সুন্দরী।তার ওপর ভীষন সেক্সি।আমার বুকে ,হাত দিয়ে খুব কাছে দাঁড়িয়ে।ওর তপ্ত নি: শ্বাস টের পারছিলাম।ও আমার কপালে হাত রাখলো।তারপর চুলে বিলি কেটে দিতে দিতে বলল,তোকে একদিন না দেখলে আমার ভিতর টা কি হয়!
শুনি কি হয়?
মরে যেতে ইচ্ছে হয়।
সত্যি?

তোরা তো আমাদের মতো করে ভালোবাসিস না বুঝবি কি করে?
আমিও তোকে খুব ভালোবাসি এই দেখ।বলে আমি স্বপ্না কে টেনে নি আমার বুকে।তারপর অনেকখন আদর পর্ব চলে।এক সময় শান্ত হয় দুটি শরীর।

স্বপ্না শাড়ি ঠিক করল।চুল আঁচড়ে নিল। ঠোঁটে রঙ লাগলো।তারপর আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বলল,দুশো টাকা দে তো খুব দরকার।

আমি দিলাম। বললাম,তুই কি সত্যি আমাকে দেখতে এসেছিস না টাকার জন্য এসেছিস?

স্বপ্না সেদিন এমন অদ্ভুত হেসেছিল,সেই হাসিতে পেরম ছিল না লেনদেন ছিল?আও আমি বুঝে উঠতে পারিনি !
বোধ হয় নারীকে ধরা যায় না।বোঝাও যায় না।

.

.

আপনার মতামত এর জন্য

দেবদাস কুণ্ডু

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply