Md. Akabbor Ali PK

 63 total views

রহস্যঘেরা #এরিয়া ৫১।। বিস্ময়কর এক কাহিনী।।
এরিয়া ৫১ (ইংরেজি: Area 51- এরিয়া ফিফটিওয়ান)
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

#প্রভাষক_একাব্বর_রসায়নবিজ্ঞান।

• এরিয়া ৫১।
এ জায়গা নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই।সাধারণ কোনও মানুষ আজ অবধি এই স্থানে প্রবেশ করেছে বলে দাবি করেনি। যদি কেউ প্রবেশ করে, তাহলে সে সেখান থেকে আর ফিরে আসেননি।

এ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার এতটাই কঠোর যে,
এর সীমানায় প্রবেশকারী বহিরাগত যে কাউকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ রয়েছে। সুরক্ষিত এই এলাকা দেয়াল ঘেরা না হলেও প্রবেশ পথে সাইন বোর্ডে কঠোরভাবে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি লেখা রয়েছে।এখানে কর্মকতাদের পরিচয় সম্পর্কে বাইরের কেউ কিছু জানে না।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক দিয়ে হোয়াইট হাউসের সমান নিরাপত্তা রয়েছে এখানে। পুরো এলাকার চারপাশে সতর্কীকরণ বোর্ডগুলোতে সরাসরি লেখা রয়েছে, ‘ Use of deathly force authorized ’এই সীমানায় প্রবেশের পর অনুমতি ছাড়াই গুলি করার নির্দেশ ছিলো, যদিও এখন তা কিঞ্চিত শিথিল হয়েছে।
এই সীমানায় আজ পর্যন্ত কোনো বেসামরিক নাগরিক ঢুকতে পারেনি।
এলাকার নিরাপত্তায় এই এলাকার চতুর্দিকে সিসি ক্যামেরা,মোশন ডিটেক্টর,লেজার ডিটেক্টর,সাউন্ড ডিটেক্টর (CC Camera, Motion Detector, Laser Detector, Sound Detector) এমনকি অত্যাধুনিক Smell Detectorঅত্যাধুনিক নানা প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে। আকাশ পথ দেখার জন্য রয়েছে রাডার।
ঘ্রাণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আশেপাশে থাকা যে কোনও মানুষ বা বন্য প্রাণীর অস্তিত্ব তারা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।কেউ কোনোভাবে এলাকায় ঢুকে পড়লে তার অস্তিত্ব ধরা পড়বে সেন্সরে।মুহূর্তে চলে আসবে সুরক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী।
জনসাধারণের এ সন্দেহ হতে দূরে রাখতে ওই অঞ্চলে এ কর্মরত বেশকিছু নির্বাহ কর্মচারী যাতায়াত করতো লাস ভেগাস থেকে, যা ছিলো এরিয়া-৫১ হতে প্রায় ৯০ মাইল দূরে।
তারা এটাকে বলতো “JANET”(জানেট ) যার পূর্ণরুপ হলো “Just Another non Existent Terminal”.

এত নিরাপত্তা এড়িয়ে কেউ এরিয়া ৫১’তে প্রবেশ করলেও তাকে হতে হবে বৈরী পরিবেশের মুখোমুখি। কেননা, এই এলাকাটি মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত।
তাই, প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেও এখানে বেঁচে থাকা কষ্টসাধ্য।

• এরিয়া ৫১।
মূলত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি।যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার।এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত।খুবই গোপনীয় এই সামরিক বিমান ঘাঁটি গ্রুম হ্রদের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
সরকারের তরফে জানানো হয়,গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ (সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সি)
১৯৫৫ সালে যুদ্ধ বিমানের পরীক্ষার জন্য প্রথম এই জায়গায় ঘাঁটি তৈরি করে। প্রজেক্টের নাম দেওয়া হয় ‘অ্যাকোয়াটোন’। ‘লকহিড ইউ-২’ নামক এক ইঞ্জিন যুক্ত যুদ্ধ বিমান যা অনেক বেশী উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানা যাবে ককপিটে বসেই।
ড্রাগন লেডি নামেও পরিচিত ওই বিমানের পরীক্ষা মূলক ঊড়ানকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাখার আদর্শ স্থান হয়ে ওঠে এই ‘এরিয়া ৫১’। এখানেই পাইলট ট্রেনিং দেওয়া হত ও বিমান ওঠানামা করতো বলে জানানো হয়।

নেভাদার গ্রুম লেক কিন্তু কোনও হ্রদ নয়।
এটি আসলে মরুভুমির মাঝে এক সমতলভূমি। যেখানে প্রচুর পরিমাণে নুন ও অন্যান্য খনিজ পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ সমতল হওয়ায় এরিয়া ৫১-এর গ্রুম লেককেই বিমানের রানওয়ে হিসাবে ব্যবহার করা
শুরু হয়। তৈরি হয় ওয়ার্কশপ, বিমানের শেল্টারও।
তিন মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায় বাঁধানো রানওয়ে, কন্ট্রোল টাওয়ার।

১৯৫৫ সালে যুদ্ধ বিমানের পরীক্ষামূলক উড়ান শুরু হওয়ার পর থেকেই ইউএফও বা স্পেসশিপ দেখতে পাওয়ার ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠতে থাকে।
একাধিক বাণিজ্যিক বিমানের চালক দাবি করেছেন, এত উচ্চতায় কোনও বিমানের ওড়া অসম্ভব।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৪৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ওড়ার মতো ক্ষমতা সেই সময়ের কোনও যুদ্ধবিমানেরও ছিল না বলেও দাবি করেন অনেকে।

বিমানের এত উচ্চতায় ওড়ার ঘটনা আবারও ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের যুক্তি জোরালো করে।
মার্কিন সেনাবাহিনী আজও এই বিষয়ে কোনও তথ্য জানায়নি। তবে ভিনগ্রহীদের উপস্থিতিকে তারা গুজব বলেই দাবি করেছে চিরকাল।

১৯৫০ সালের শেষ ভাগেই ‘ইউ-২’ প্রোজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলেও এরিয়া৫১-কে কিন্তু কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয়েছে আজও। নির্দিষ্ট একটি সীমা অবধিই সাধারণ মানুষ যেতে পারেন। কাঁটাতারের ওই পাড়ে কী রয়েছে তা অগোচরেই থেকে গিয়েছে আজও।

‘বার্ড অব প্রে’, ‘এফ-১১৭এ’, ‘ট্যাসিট ব্লু’ নামক যুদ্ধবিমানগুলি তৈরি ও পরীক্ষা করা হয়েছে এই এরিয়া ৫১-এ। ১৯৭০ সালে ‘হ্যাভ ডোনাট’ নামে এক গোপন নথি সামনে আসে। সেখান থেকে জানা যায়, একটি সোভিয়েত মিগ বিমানকে নিয়ে নানা পরীক্ষাও চালানো হয় এরিয়া ৫১-এই।

• এরিয়া ৫১ ।
এই সামরিক ঘাঁটি এতটাই গোপনীয় যে,
২০১৩ সালের পূর্ব পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। রাশিয়া এরিয়া ৫১ নিয়ে প্রশ্ন তুললে ২০১৩ সালের আগস্টে প্রথমবার আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব।
তারা স্বীকার করে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার দেশটির এক গোপন সামরিক পরীক্ষার স্থান হিসেবে ‘এরিয়া ৫১’ নামক জায়গাটি ব্যবহার করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধের (Cold War) সময় ‘এরিয়া ৫১’ নির্মাণ করা হয়।
১৯৫৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)২০১৩ সালের আগস্ট মাসে প্রথমবারের মতো এর অস্তিত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়।
এর চার মাস পর,২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামা প্রথম জনসমক্ষে এরিয়া ৫১-এর কথা প্রকাশ করেন।
কিন্তু ইউ-টু নামের একটি গোয়েন্দা বিমানের ব্যাপারে গোপন তথ্য প্রকাশ করতে গিয়ে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ প্রথমবারের মতো এরিয়া ৫১-এর কথা স্বীকার করে।

• এরিয়া ৫১ ।
এর ভিতরে যে সব স্থাপনা আছে সেসবের তেমন ভাল কোনও ছবি পাওয়া যেত না,যে সব ছবি পাওয়া গেছে সেগুলো সব স্যাটেলাইট থেকে তোলা।
মার্কিন সরকারের অবাধ তথ্য অধিকারের সুযোগ নিয়ে ১৯৬০ সালে মার্কিন গোয়েন্দা উপগ্রহ ‘করোনা’র সাহায্যে এরিয়া ৫১ এর ছবি তোলে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন সরকার সেই ছবি মুছে ফেলে। পরবর্তীতে নাসার ল্যান্ডস্যাট ৭ উপগ্রহের সাহায্যে এরিয়া ৫১ এর ছবি তোলা হয়,এই ছবিটিই সরকারিভাবে প্রকাশিত এরিয়া ৫১ এর ছবি।প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় যে, এরিয়া ৫১ এর ভিতরে সাতটি রানওয়ে আছে।
ছবিতে আরো দেখা যায় বড় বড় গুদাম ঘর,আবাসিক এলাকা,ফায়ারস্টেশন,বিশাল আকারের জলের ট্যাঙ্ক, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার,টেনিস এবং বেসবল কোর্ট। আর যোগাযোগের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি স্যাটেলাইট ডিশ।২০১৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রকাশিত নথিতে জানানো হয়,বিমানের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ১৯৫৫ সালে নেভাদার জনশূন্য মরুভূমিতে–
‘এরিয়া ৫১’ -এর জায়গাটি বেছে নেওয়া হয়।

• এরিয়া ৫১ ।
স্যাটেলাইটের ছবি থেকে দেখা যায়,জায়গাটিতে সাতটি রানওয়ে আছে।এরমধ্যে একটি ব্যবহার করা হয় না।এখানে সাধারণ বিমান ওড়া নিষেধ ছিল।
তাই বৈমানিকরা এর নাম দিয়েছিলেন ‘দি বক্স’। মার্কিন বিরোধীরা তো এক নামেই একে ‘এরিয়া অফ কন্সপায়রেসি’ নামে ডাকে। তবে ধারণা করা হয়, ইউ-২, এক্স-১৫, এ-১২ সহ নানা আধুনিক মার্কিন সামরিক বিমান এখানেই তৈরি হয়েছে।ভেতরে লকহেড মার্টিনের একটি গবেষণাগার আছে বলে শোনা যায়।

সামরিক মহড়াও নতুন প্রযুক্তির বিমান বা আকাশযান তৈরি–এই দুই কাজে “এরিয়া ৫১” ব্যবহার হচ্ছে বলে জানায় মার্কিন কর্তৃপক্ষ। রহস্যে ঘেরা এরিয়া ৫১ বিশ্বব্যাপী “ষড়যন্ত্রের এলাকা” নামে পরিচিত ছিল। আগে সরাসরি এই এলাকার কোনো ছবি পাওয়া যেতো না।তবে স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়া তাদের শক্তিশালী স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এই এলাকার অনেকগুলো ছবি তোলে,যেগুলো এখন ইন্টারনেটে সহজেই পাওয়া যায়।
কথিত আছে,এই এরিয়া ৫১’এর ভেতরে নির্মিত অতি ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক বিমান‌ আছে।এখানে নাকি এমন বিমান রয়েছে,যা এখনো বাইরের কেউ কখনো কল্পনাও করেনি।

• এরিয়া ৫১ ।
১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মত এরিয়া ৫১ ছবি ধরা পড়ে স্যাটেলাইটে।সেটা ছিল রাশিয়ার ‘ইকন্স’ স্যাটেলাইটের কৃতিত্ব।এখন শুধুমাত্র গুগল ম্যাপেও দেখতে পাবেন,তবে খুব কম অংশ।মার্কিন উপগ্রহ ‘করোনা’ ও ‘টেরা’ জায়গাটির ছবি তুলেছিল কিন্তু আমেরিকান সরকার সব মুছে ফেলে। সিআইএ’র নথি থেকে জানা যায়,সেখানে যেসব দালান আছে সেসবে কোনো জানালা নেই,যাতে এক গবেষক দল অন্য দলের কাজ সম্পর্কে জানতে না পারেন!এমনকি যখন পরীক্ষামূলক কোনো বিমান প্রথম উড়ানো হয়,তখন কর্মীরা দালানের ভেতরেই থাকে।এসব গল্প নানা রকম সন্দেহের জন্ম দেয়।

• এরিয়া ৫১ ।
পৃথিবীর একমাত্র এলিয়েন স্টেশন!
এরিয়া ৫১ নিয়ে প্রথম জল্পনা শুরু হয় ১৯৪৭ সালে রোসোয়েল বিমান দুর্ঘটনার পর। শোনা যায় এই প্লেনের চালক ছিল ভীনগ্রহীরা। অনেকের মতে আবার, সে দিন প্লেন নয়, উড়েছিল স্পেসশিপ। ভিতরে ছিল বিজ্ঞানীদের গবেষণাগারে তৈরি অদ্ভুত চেহারার ‘মানুষের মতো’ এক প্রাণী।

১৯৪৭ সালে নিউ মেক্সিকোর কাছে বিধ্বস্ত হওয়া রসয়াল বিমানকে অনেকে ভেবেছে এলিয়েনদের উভযানের ক্র্যাশ হিসেবে।আবার অনেকে ভাবেন, চন্দ্রজয় একেবারেই ভুয়া একটি কথা।রাশিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতেই এরিয়া-৫১’র ভেতরে নাটক সাজিয়ে ছিল তারা! মানুষের মনের এই সন্দেহের দানাকে উসকে দেয় হলিউডের ইন্ডিপেন্ডেন্স মুভিটি।সেখানে তারা পৃথিবী আক্রমনের অংশ হিসেবে এরিয়া ৫১-এ হামলা করে।
পরিচালক ১৯৪৭ সালের রসয়ালের(Roswell UFO Incident) বিধস্ত বিমানকে এলিয়েনদের হারিয়ে যাওয়া উভোযান হিসেবে দারুণ গল্প উপস্থাপন করেন।

✓ এরিয়া ৫১’ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র/টিভি সিরিয়ালগুলো হলোঃ
এরকম কল্পকাহিনী নিয়ে অনেক সাহিত্য ও চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। Independence Day (1996),
Hangar 18(1980),Seven Days (1998-2001),
Area 51 video game (2005)
১৯৯৬ সালে হলিউডের বিখ্যাত ছবি ‘ ইনডিপেনডেন্স ডে ’ তে দেখানো হয়েছে যে এই ভীন গ্রহের প্রাণীরা এরিয়া ৫১ এর উপর আক্রমণ করেছে এবং এই ছবির শেষ দিকে দেখানো হয়েছে এই প্রাণীদের ব্যবহার করা বিশাল আকারের UFO বা Unidentified Flying Object কে উন্নত প্রযুক্তির মিসাইলের সাহায্যে ধ্বংস করে দেয়া হয়।

কিন্তু ভিনগ্রহ থেকে আসা এরকম কোন প্রাণীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি আজ পর্যন্ত।তবে চুপ নেই স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবী সুনির্দিষ্ট আর সেটা হলো ‘এরিয়া-৫১’ এর আকাশে এলিয়েন চালিত ফ্লাইং সসারের মতো উড়ন্ত কিছু দেখা যায়। অনেকেই কাল্পনিক ফ্লাইং সসারকে বাদ দিয়ে বলেন তারা এমন দ্রুত গতির বিমান উড়তে দেখেছেন যার গতি যেকোন সাধারণ বা যুদ্ধ বিমানের গতিকেও সহজেই হার মানাবে। দুপক্ষের দাবীকে অনেকটা সত্যিতে রুপান্তর করে ‘এরিয়া-৫১’ এ কর্মরত পদার্থবিজ্ঞানী ‘বব লেজার’ এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেন, ওইখানে এমনসব মৌলিক পদার্থ নিয়ে গবেষণা করা হয় যার আবিষ্কারের কোন ধরণের অফিশিয়াল ঘোষণা নেই। অবশ্য তার বক্তব্যে কিছুটা গরমিল দেখা যায়। তার দাবী উক্ত গবেষণাগারে ফ্লাইং সসার তৈরীর ফর্মুলা নিয়ে তোরজোড় গবেষণা চলে। তারমতে সুপারনোভা বা বাইনারি স্টার সিস্টেম থেকে একধরণের মৌল সংগ্রহ করা হয়েছে যার মাত্র ২.২ পাউন্ড উপাদান দিয়েই ৪৭ টি ১০ মেগাটন হাইড্রোজেন বোমা বানানোর জন্যে যথেষ্ট। ওই গবেষণাগারে রাখা একটি চাকতি ও বলের সংমিশ্রণে বানানো একধরণের যন্ত্রের সাহায্যে বলের চিপে রাখা মৌলটি এন্টিম্যাটার রিএক্টর বলয় তৈরী করে যা সময়কে স্থির করতে সক্ষম এবং বিপুল শক্তির সঞ্চয় করে যার ফলে বস্তুর নিজস্ব মহাকর্ষ বলের সৃষ্টি হয় এবং তা নিজস্ব গতিতে বিদ্যুৎবেগে ছুটতে পারে।
তিনি দাবী করেন ওইখানে পড়ে থাকা ফ্লাইং সসারের ধ্বংসাবশেষে পাওয়া একটি এলিয়েন যে এসেছিলো রেটিকুলাম-৪ নামক একটি গ্যালাক্সি হতে যার আয়তন দৈর্ঘ্যে প্রায় তিনফুট।শরীরে কোন ধরনের লোম নেই। আর‌ও বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তার বড় বড় চোখ এবং কৃশকায় শরীর।
যার দেহ ছেদ করে হৃৎপিন্ডের বদলে দেখা যায় একটি বিশালাকৃতির পতঙ্গ।

পদার্থবিজ্ঞানী বব লেজার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এরিয়া ৫১-এ রেটিকুলাম ৪ নামের একগ্রহ থেকে আসা এলিয়েন ও এক ফ্লাইং সসার আছে।’
তিনি জব্দ করা এলিয়েনটির একটা বর্ণনাও দেন। এছাড়া বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে এখান থেকে ভিন গ্রহের প্রাণীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ হয়েছে বলে দাবি করেন। এলাকাটি নিয়ে আশেপাশের লোকজনের মধ্যে অনেকটা গুজব রয়েছে।এরমধ্যে একটি হচ্ছে ভিন গ্রহীদের আকাশযান বা ইউএফও।

এরিয়া ৫১-তে কাজ করেছেন এরকম এক ব্যক্তি
বব লাজার ১৯৮৯ সালে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যখন এরকম কিছু দাবি করেন তখনই এই “ষড়যন্ত্র তত্ত্ব” তীব্র হতে শুরু করে।
মি. লাজার যেসব দাবি করেছেন সেবিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রমাণ দেখাতে পারেন নি।
১৯৮৯ সালে বব লাজার নামের এক ব্যাক্তি দাবী করেন, তিনি এই এরিয়াতে এমন সব ফ্লাইং সসার দেখতে পেয়েছিলেন, যেগুলো কোনোভাবেই পৃথিবীতে তৈরি হতে পারে না। সেগুলোর শক্তি সরবরাহ করা হচ্ছিলো এন্টিম্যাটার রিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে, জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিলো লালচে-কমলা বর্ণের একটি পদার্থ যার নাম ‘এলিমেন্ট-১১৫’। সসারটি এতটাই শক্তিশালী গ্র্যাভিটি ওয়েভ তৈরি করছিলো যে, সেটার উদ্দেশ্যে কোনো গলফ বল ছুঁড়ে মারলে সেটাও ফিরে আসছিলো!
লাজারের মতে, সামরিক খাতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করছিলো ইউএফও (আনআইডেন্টিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট)! দুর্ভাগ্য বলতে হবে লাজারের। একবার বন্ধুদের নিয়ে তিনি লুকিয়ে সেসব সসারের টেস্ট ফ্লাইট দেখতে গিয়ে ধরা পড়ে যান। এরপরই তার চাকরি চলে যায়।
সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে তার উপর একটি তথ্যচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে যাকে কেন্দ্র করে লোকজনের মধ্যে এলিয়েনের ব্যাপারে আবারও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

• এরিয়া ৫১ ।
✓ ভিনগ্রহের প্রাণী দেখতে ফেসবুক ইভেন্ট:
সতর্ক করে দিয়েছিল সামরিক বাহিনী।

এলিয়েনের অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন প্রমাণ নেই এখনও।
এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিজ্ঞানীরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন এলিয়েন বলে যদি কোন কিছুর খোঁজ পাওয়া যায়। কেউ কেউ বলেছেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোথাও না কোথাও এলিয়েন বলে নিশ্চয়ই কিছু আছে।আবার কেউ বলেছেন,এই দাবি একেবারেই অবাস্তব।
কিন্তু অনেকেই আছেন যারা বিশ্বাস করেন এলিয়েন এর অস্তিত্বের কথা।শুধু তাই নয়,তারা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই এরকম কিছু এলিয়েন কোন
এক সময় নেমে এসেছিল এবং সরকার তাদেরকে নেভাডার এরিয়া ৫১ নামের প্রত্যন্ত একটি এলাকায় লুকিয়ে রেখেছে।
ঘটনাটি শুরু হয় কৌতুকের মাধ্যমে।এলিয়েন দেখার জন্যে নেভাডার প্রত্যন্ত ওই এলাকাটিতে যাওয়ার একটি ইভেন্টেও খোলা হয় ফেসবুকে।ইভেন্টের নাম দেওয়া হয়,”স্টর্ম এরিয়া ৫১”,
দে ক্যান্ট স্টপ অল অফ আস।অর্থাৎ তারা আমাদের সবাইকে থামাতে পারবে না। চলো যাই এরিয়া ৫১।

২০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ইভেন্টে ১৩ লাখেরও বেশি মানুষ সাইন-আপ করেছিল।এছাড়াও ‘আগ্রহী’ হিসেবে মার্ক করেছে আর‌ও ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

এরকম পরিস্থিতিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে লোকজনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল,
কেউ যেন এরিয়া ৫১ এর ধারে-কাছেও না যায়।

নেভাডার এই এলাকাটি বিমান বাহিনীর অত্যন্ত গোপনীয় একটি ঘাঁটি কিন্তু ইভেন্টে সই করা বহু মানুষ বিশ্বাস করে সেখানে ভিনগ্রহ থেকে আসা প্রাণীদের রাখা হয়েছে।
বিমান বাহিনীর সতর্কতাকে পাত্তা দিচ্ছিল না অনেক উৎসাহী ব্যক্তি।হাজার হাজার মানুষ সেখানে মন্তব্য করেছিল এরকম,”আমরা তাদের বুলেটের চেয়েও দ্রুত গতিতে ছুটতে পারি।এলিয়েনদের দেখতে দাও।”

বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্ট সংবাদপত্রকে বলেছেন,তারা এই ইভেন্ট হতে দেবেন না। তিনি বলেন,”আমরা আমেরিকা ও তার সম্পদ রক্ষার জন্যে প্রস্তুত।”
ফেসবুকে এই ইভেন্টের আয়োজনকারী জ্যাকসন বার্নেস ইভেন্ট পাতায় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন,”এটা একটা কৌতুক।এই পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগুনোর কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই।”
“আমি শুধু ভেবেছি এটা খুব মজার বিষয় হবে। এখন লোকজন যদি সত্যিই এরিয়া ৫১-তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমি এর জন্যে দায়ী হবো না।”

বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন,
বিমান বাহিনী এরকম একটি ইভেন্টকে “মজার বিষয়” হিসেবে নিচ্ছিলেন না।”এরিয়া ৫১ হচ্ছে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি উন্মুক্ত প্রশিক্ষণ রেঞ্জ। আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর লোকজনকে যেখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এরকম একটি জায়গায় আসার ব্যাপারে আমরা লোকজনকে নিরুৎসাহিত করছি।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই এলাকাটিকে ঘিরে এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় সেকারণেই সেখানে এলিয়েন লুকিয়ে রাখার মতো “ষড়যন্ত্র তত্ত্বের” জন্ম হয়েছে।
এই তত্ত্বকে ঘিরে গুজবের ডালপালা এতোই বিস্তৃত হয়েছে যে অনেকেই মনে করেন যারা এই ইভেন্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই তাদের গতিবিধির উপর নজর রাখছে।
ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বিশ্বাসীদের অনেকে মনে করেন এলিয়েনের জীবন ও ইউএফও সম্পর্কে মার্কিন সরকারের কাছে অনেক তথ্য আছে কিন্তু সেগুলো তারা জনগণের কাছে গোপন রেখেছে।
তারা বিশ্বাস করে, পৃথিবীতে নেমে আসা এরকম কিছু এলিয়েনকে আটক করে কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এরকম ধারণা সবসময়ই অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

✓ বিতর্কিত মুন ল্যান্ডিং ও এরিয়া ৫১.
১৯৭৪ সালে বিল কেসিং নামের একজন লেখক একটি বই লিখেন যার নাম “We Never Went to The Moon: America’s Thirty Billion Dollars Swindle” চাঞ্ছল্যকর এই বইটিতে তিনি প্রমান করতে চান আমেরিকা চাঁদে পৌছায়নি।
রাশিয়ার চাঁদে যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গে আমেরিকা ও নাসা এই নাটক রচনা করে। মুলত নীল আর্মস্ট্রিং চাঁদে নয় এরিয়া ৫১-এ চাঁদে অবতরনের ভিডিও ধারন করেন। এই রহস্য গোপন রাখতেই এরিয়া ৫১ এর নিরাপত্তা এত কঠোর বলে ধারনা করা হয়।

✓ আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যাঙ্কার ও এরিয়া ৫১।
জানা গেছে এরিয়া ৫১-তে মাটির নিচে বিশাল বাঙ্কার গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। আর সেখানেও রয়েছে প্রযুক্তির অত্যাধুনিক আশীর্বাদপুষ্ট বিমানের আনাগোনা।সেই বিমানগুলোকে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয় যাতে করে স্যাটেলাইটের মাধ্যমেও সেগুলোর কোনো হদিস কেউ না পায়।কারো মতে সেই বাঙ্কারগুলো ৪০ তলা ভবনের সমান উঁচু ! অনেকের ধারনা,এলিয়েনদের সেই স্পেসক্রাফটগুলো লুকিয়ে রাখা হয় পাহাড়ের নিচে।সেই বাঙ্কারের প্রবেশপথে রয়েছে বিশাল বড় দরজা যা এমন ভাবে ডিজাইন করা যাতে আশে পাশের পরিবেশের মত মনে হয়।ফলে দূর থেকে দেখে কেউ একে অনুমান করতে পারে না।মাটির তলায় রয়েছে সুড়ঙ্গ পথ যা কিনা বিভিন্ন মহাদেশের সাথে সম্পৃক্ত।

✓ এরিয়া ৫১-তে সময় ভ্রমন ( Time Travel)
আমরা অনেক গল্প না সিনেমায় সময় ভ্রমন বা time travelling এর গল্প শুনেছি বা দেখেছি। কিন্তু বাস্তবে তার প্রমান এখনো কেউ দিতে পারে নি। কন্সপাইরেসি থিওরি মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক দল বিজ্ঞাণী Time Travelling নিয়ে পরিক্ষা নিরিক্ষা করেন এই এরিয়া ৫১ এ।
তাছাড়া টেলিপোর্টেশন নিয়েও গবেষনা করা হয় এখানে। টেলিপোর্টেশন হল এমন একটি ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম যেখান মানুষ মুহুর্তের মধ্যেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌছাতে পারবে।

• এরিয়া ৫১।
√ যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যঘেরা স্থান ।
প্রায় ৩০ লাখ একর জায়গা নিয়ে গড়ে ওঠা
এই এলাকা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ফোর্সের (বিমানবাহিনী) ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দুটি গোপন জায়গা নেভাদা
টেস্ট সাইট ও নেভাদা টেস্ট অ্যান্ড ট্রেনিং রেঞ্জের গোপনীয়তার সঙ্গে এরিয়া ৫১-এর তুলনা করা হয়।

• এরিয়া ৫১।
√ কি হয় সেখানে !
প্রায় দেড় হাজার লোক এর ভেতরে কাজ করেন
বলে ধারণা করা হয়। এরিয়া ৫১-এর ইতিহাস নিয়ে লেখালেখি করা অ্যানি জ্যাকবসেন বিবিসিকে বলেছেন, ‘এরিয়া ৫১ হলো পরীক্ষা চালানোর ও অনুশীলনের জায়গা। সেই ১৯৫০-এর দশকে ইউ-টু স্পাই প্লেন দিয়ে এর গবেষণাকর্ম শুরু হয়।এখন নিত্য নতুন ড্রোন বানানোর পরীক্ষাও চলে এর ভেতর।’

এরিয়া ৫১ এই নাম সরকারি ভাবে CIAব্যাবহার করে।এছাড়াও এর অন্য অনেক গুলি নাম আছে যেমনঃ ড্রিম ল্যান্ড (DreamLand), প্যারাডাইস রেঞ্চ (Pradise Ranch),হোম বেস (Home Base), ওয়াটার টাউনস্ট্রিপ (Watertown Strip),গ্রুম লেক
(Groom Lake)। এ ছাড়াও কিছুদিন আগে এর
আরো একটি নাম দেয়া হয় হোমি এয়ার পোর্ট
(Homey Airport)।
ভিত্তির সুবিধার্থে “স্বপ্নের ভূমি”, “বেহেশ্তের রেকেল”, “বাড়ি ভিত্তি”, “পানির শহরের অংশ”, “গ্রুম হ্রদ” এবং সর্বাপেক্ষা সাম্প্রতিক কালে “সুখাবহ বিমানবন্দর” হিসাবেও জানা হয়। প্রায়ই সামরিক বিমানচালকরা ভিত্তির চারিদিকের আকাশ সীমাকে “বাক্স” বলে ডাকে। ভিত্তিটি যে উচ্চ স্তরের গোপনীয়তা পরিবেষ্টন করে তা মার্কিন সরকার এর অস্তিত্ব কেবল অস্পষ্ট ভাবে স্বীকার করে। এই ভিত্তির একটি নমুনা বিষয়ক চক্রান্তের তত্ত্বসমূহ এবং অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু (UFO) UFO বা Unidentified Flying Object উপকথা নায়ক।

২০০৯ সালে অবসরপ্রাপ্ত বিভিন্ন কর্মকতারা যাদের এরিয়া ৫১-তে কাজ করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবী করে তারা বলেন,এরিয়া ৫১ উন্নতিসাধন এবং সাম্প্রতিক প্রযুক্তির পরীক্ষাকরণের (সামরিক জেট প্লেন, চান্দ্র মডিউল ইত্যাদি) কাজের জন্য অনেক গোপনীয়তার সাথে ব্যবহার করা হয়।

✓এরিয়া ৫১ এর উড্ডায়ন পথ :
ভিত্তিতে সাতটি বিমান উড্ডায়ন পথ রয়েছে,
তার মধ্যে এখন একটিকে বন্ধ বলে মনে হয়।
বন্ধ উড্ডায়ন পথটি হল 14R/32L, যার দৈর্ঘ্য ৭,১০০ মিটার (২৩,৩০০ ফুট) প্লেন থামার জায়গা বাদে।
অন্য উড্ডায়ন পথ দুটি খুব কালো রঙের।
14R/32L উড্ডায়ন পথটির দৈর্ঘ্য ৩,৬৫০ মিটার (১২,০০০ ফুট) এবং 12/30 উড্ডায়ন পথটির দৈর্ঘ্য ১,৬৫০ মিটার (৫,৪০০ ফুট)। অন্য উড্ডায়ন পথ চারটি লবণ হ্রদের সামনে অবস্থিত।
এই চারটি উড্ডায়ন পথ হল 09R/27L এবং 09R/27L, যার উভয়েই দৈর্ঘ্য ৩,৫০০ মিটার (১১,৪৫০ ফুট) এবং 03L/21R আর 03R/21L, যার উভয়েরই দৈর্ঘ্য ৩,০৫০ মিটার (১০,০০০ ফুট)।
ভিত্তিতে হেলিকপ্টার নামার জন্য একটি জায়গাও রয়েছে।

২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে,যাত্রিবাহী বিমান চালকরা লক্ষ্য করেছিলেন যে ভিত্তিতে তাদের
বিমান দিক নির্নয় পদ্ধতি পরিমার্জন করেছে।
KXTA এর ICAO বিমান ঘাঁটি চিহ্নিত কোডের সঙ্গে সাম্প্রতিক জাপানী ডেটাবেস পরিমার্জন এবং “হমেয় বিমানবন্দর” হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বিমান ঘাঁটি ডেটার সম্ভবত অসাবধানতা মুক্ত স্বত্তাধীকারী প্লেন এবং বিমানচালক সমিতির দ্বারা উপদেশে নেতৃত্ব দিয়েছিল (AOPA) যে ছাত্র বিমান চালকদের KXTA সালের সম্বন্ধে স্পষ্টভাবে সাবধান করা উচিত,যেকোনও উড্ডায়নের জন্য এইটি নির্দিষ্ট করলেও এটিকে একটি রাস্তা অথবা গন্তব্য হিসেবে এইটি বিবেচনা না করতে যদিও জনগণ দিকনির্নয় ডেটাবেসে এখন আবির্ভূত হয়।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *