Sheikh Mohammad Hasanur Kabir

 174 total views

বাজু হালদার
( ছোটগল্প )
-শেখ মোহাম্মদ হাসানূর কবীর
পড়াশোনা শেষ করে এক অজ পাড়াগাঁয়ে কলেজের চাকরিতে যোগদান করলাম। প্রথম দিকে আমার ইচ্ছে ছিলোনা মাস্টারি করার, কিন্তু অভিভাবক ও আত্মীয়-স্বজনের পুনপুন অনুরোধ এবং চাকরির বর্তমান দুরবস্থা বিবেচনা করে অবশেষে রাজি হলাম। ঢাকা থেকে দুর্গাপুর হয়ে আরও প্রায় কুড়ি মাইল পথ নৌকাযোগে পেরিয়ে অবশেষে কলেজটিতে পৌঁছলাম। কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় আগে থেকেই আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সালাম দিয়ে হাত বাড়িয়ে বললাম-
আমি শফিউল আযম। ঢাকা থেকে এসেছি।
হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি; বলেই অধ্যক্ষ মহোদয় আমার হাতটি মুঠোর মধ্যে নিয়ে বেশ কয়েকবার ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন-
আমি আবদুল হাকিম মোল্লা ; কলেজের এ্যাক্টিং অধ্যক্ষ।
অধ্যক্ষ মহোদয়কে প্রথম দেখেই খুব সজ্জন মনে হলো। তিনি একগাল হেসে আমাকে বুকে জড়িয়ে নিলেন। তখন বর্ষা সবে শুরু হয়েছে। গ্রীষ্মের তাণ্ডব পুরোপুরি শেষ হয়নি। আমার সমস্ত শরীর ঘেমে একাকার। ঘর্মসিক্ত শরীর থেকে একরকম উৎকট গন্ধ বেরুচ্ছে। আমি কিছুটা বিব্রত হলাম, কিন্তু অধ্যক্ষ মহোদয়ের সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই; যেন দীর্ঘকাল নিরুদ্দেশ থাকার পর আজ তাঁর প্রবাসী ভাইটিকে তিনি কাছে পেয়েছেন।
কলেজের নাম আলীপুর কলেজ। গ্রামের নামেই কলেজটির নামকরণ করা হয়েছে। পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা একটি চারচালা টিনের ঘর। অধ্যক্ষ মহোদয়ের কক্ষটি কাঠ আর টিন দিয়ে নির্মিত দোতলা। তিনি নিচ তলাটি তার অফিসকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করেন। চারদিকে জলাভূমিবেষ্টিত হলেও কলেজের সামনে রয়েছে প্রকাণ্ড একটি মাঠ। মাঠটিকে পরিত্যক্ত বলা যায়, কারণ সমস্ত মাঠ জুড়ে রয়েছে দশ-পনেরোটি বিস্তৃত বট-অশ্বত্থের গাছ। বয়সের ভারে গাছগুলো নুয়ে পড়েছে। ডালগুলো থেকে মোটা ঝুরি নেমে এসেছে মাটিতে।
অধ্যক্ষ মহোদয় ছিলেন বেশ আন্তরিক। তিনি কলেজের গার্ড সাজু হালদারকে ডাকলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সাজু হালদার এসে উপস্থিত হলো। দেখতে ভীষণ ভয়ঙ্কর লাগছিলো লোকটিকে। বয়স ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর হবে। লোকটিকে দেখে মনে হলো, কলেজের পাহারাদার না হয়ে লোকটি ডাকাত দলের সর্দার হলে মানাতো বেশ। অধ্যক্ষ মহোদয় সাজু হালদারকে আমার মালপত্রগুলো তাঁর অফিসকক্ষে গুছিয়ে রাখতে বলে আমাকে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হলেন। কলেজ থেকে নৌকায় প্রায় আধঘণ্টা যাওয়ার পর অবশেষে আলীপুর গ্রামের প্রান্তভাগে অধ্যক্ষ মহোদয়ের বাড়িতে পৌঁছলাম। সেদিনের মতন অধ্যক্ষ মহোদয়ের বাড়িতে আমার থাকার বন্দোবস্ত হলো।
পরদিন পূবাহ্ণে অধ্যক্ষ মহোদয়ের সঙ্গে কলেজে উপস্থিত হলাম। অধ্যক্ষ মহোদয় তাঁর অফিসকক্ষে আমাকে বসতে বললেন। সবাইকে ডেকে এনে পরিচয় করিয়ে দিলেন। ক্লাসে নিয়ে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের খুব গর্বভরে বললেন-
তোমাদের নতুন বাংলা শিক্ষক শফিউল আযম। ঢাকা থেকে এসেছেন। এমন বাংলা শিক্ষক এ তল্লাটে পাবে না। তোমরা নেহায়েত ভাগ্যবান বলে এমন শিক্ষক তোমাদের কপালে জুটেছে। ছাত্রছাত্রীরা আমার দিকে ভীষণ আগ্রহ নিয়ে তাকাচ্ছিলো। নিজের উপস্থিতিতে, নিজের এরূপ সুখ্যাতি শোনে আমি খুব সংকোচ বোধ করলাম।
ছুটির ঘণ্টা বাজলে একে একে সবাই বাড়ি চলে গেলো। অধ্যক্ষের কক্ষে অধ্যক্ষ মহোদয় আর আমি রয়ে গেলাম। আর অনতি দূরেই গাছের নিচে বসে রইলো কলেজের সেই কালাপাহাড়সদৃশ গার্ড সাজু হালদার।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে অধ্যক্ষ মহোদয় বললেন, আপনার থাকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।
আমি অত্যন্ত বিনীত ভঙ্গিতে বললাম-
ভাবনার কি আছে, স্যার ? আমি যে কোনো জায়গায় থাকতে পারবো।
অধ্যক্ষ মহোদয় যেন হাঁফছেড়ে বাঁচলেন। একটু দম নিয়ে বললেন-
কলেজে থাকতে পারবেন ? এখানে দোতলার কক্ষটি খালি পড়ে আছে।
আমি খানিকটা ভয়পেয়ে গেলাম। বললাম-
এই নির্জন জায়গায় একা থাকা সম্ভব, স্যার ?
অধ্যক্ষ মহোদয় কিছুটা আশাহত হলেন, বললেন-
আপনি একা থাকবেন কেনো, সাথে আমাদের গার্ড সাজু হালদার থাকবে। ও তো দিনরাত এখানেই পড়ে থাকে। বিয়ে-থা করেনি। রান্নার কাজও মোটামোটি জানে।
যদিও লোকটি দেখতে ভীতিকর, তবু নিরুপায় হয়ে আমি অধ্যক্ষ মহোদয়ের প্রস্তাবে সম্মত হলাম। সম্মত হওয়ার আরেকটি কারণ ছিলো; সেটি হলো, জায়গাটা ছিলো অত্যন্ত মনোরম। এরকম নিসর্গের স্বাদ ঢাকায় কখনো পাইনি। অধ্যক্ষ মহোদয় সাজু হালদারকে ডেকে আমার থাকার ঘরটি গুছিয়ে রাখতে বললেন এবং আমার বিষয়ে সমস্ত দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিলেন।
পরদিন থেকে আমার নির্জনবাস শুরু হলো। বছর খানেক ভালোই কাটলো। সাজু হালদার লোকটাকে যেরকম ভেবেছিলাম, বাস্তবে দেখলাম সে খুব নরম আর চাপা স্বভাবের। বিকেল বেলা গাঙের ধারের বটগাছের নিচে বসি। বটের পুরনো মোটা শিকড়ে বসে গাঙের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করি। সাজু হালদার মাঝে মধ্যে আমার সাথে বসে থাকে। কোনো কথা বলেনা। সবসময় মন খারাপ করে থাকে। কিসের এমন দুঃখ ওর, তাও কখনো বলেনি আমাকে।
দেখতে দেখতে কয়েক বছর কেটে গেলো। বেশকিছু সরকারি চাকরির ইন্টারভিউ দিলাম, তেমন কিছু হলোনা। আলীপুর কলেজের ওপর একটা মায়া পড়ে গেলো; সেই সাথে সাজু হালদারের ওপরও । লোকটির সততা, দায়িত্বশীলতা এবং কাজের প্রতি একাগ্রতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, অথচ এতোটা বছরেও আমি ওর ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক কোনো বিষয়েই কিছু জানতে পারিনি। কখনো সাজুর পারিবারিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাজু চুপ করে থেকেছে কিংবা আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। অনেক সময় মনে হয়েছে, অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছ থেকে সাজু হালদারের পারিবারিক বিষয়ে জেনে নিলে কেমন হয়, পরক্ষণেই ভেবেছি, অধ্যক্ষ মহোদয়কে এসব ছোটখাট বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে অধ্যক্ষ মহোদয় হয়তো বিরক্ত হবেন। অন্যকাউকে জিজ্ঞেস করবো, সে ভরসা পাইনি, কারণ সাজু হালদার এতো তুচ্ছ মানুষ ছিলো যে, ওর সম্পর্কে কারোরি কোনো আগ্রহ ছিলোনা। সুতরাং সাজু হালদার আমার নিকট দুর্ভেদ্য, রহস্যময় মানুষ হিসেবেই রয়ে গেলো।
একদিন অপ্রত্যাশিতভাবে সরকারি খামে একটি চিঠি পেলাম। আমার চাকরি হয়েছে। থানা শিক্ষাকর্মকর্তা। কর্মস্থল বাজিতপুর। খুব অল্পসময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। কথাটা অধ্যক্ষ মহোদয়কে বললাম, তিনি খবরটি শুনে খুব খুশি হলেন। আমার সহকর্মীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হলো। বিদায়ের দিন ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিষাদের ছায়া নেমে এলো। কেবল একটি প্রাণীর মনোভাব বুঝতে পারলাম না।
রাতে সাজু হালদারকে জিজ্ঞেস করলাম-
সাজু শুনেছো, আমার নতুন চাকরি হয়েছে; আমি চলে যাচ্ছি ?
সে ভালো-মন্দ কিছু বললো না। আমি তাকে পুনরায় বললাম-
এতটা দিন আমার সাথে ছিলে; আমি চলে গেলে তোমার কষ্ট হবে না, সাজু ?
সাজু হালদার এবারও কিছু বললো না। নিরাসক্ত দৃষ্টিতে কেবল আমার দিকে ফেলফেল করে তাকিয়ে রইলো। সাজুকে একটা চরম নিমক হারাম অমানুষ মনে হলো আমার কাছে।
পরদিন বাজিতপুর নতুন কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার পূর্বে অধ্যক্ষ মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানোর পর অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে সাজু হালদার সম্পর্কে আমার কৌতূহলের বিষয়টি জানতে চাইলাম। অধ্যক্ষ মহোদয় কিছুক্ষণ আমার দিকে স্থিরদৃৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।
ভাবলাম, কথাটা বলা ঠিক হয়নি।
-সরি, স্যার।
না ঠিক আছে, শফিউল আযম সাহেব। আমি কিছু মনে করিনি। সাজু হালদার সম্পর্কে আপনাকে অনেক আগেই সবকিছু খুলে বলা উচিত ছিলো, কিন্তু ব্যাপারটি আমার মাথায় আসেনি।
সাজু হালদারের জীবনটা খুব ট্র্যাজিক বলতে পারেন। জীবনে সে অনেক কষ্ট পেয়েছে, লাঞ্ছিত হয়েছে, বঞ্চনার শিকার হয়েছে। আস্তে আস্তে ছেলেটি পাথরের মতন শক্ত হয়ে গেছে। এখন ভালোবাসা, আনন্দ, দুঃখ, পাওয়া-নাপাওয়া কোনোটাই তাকে ভাবিয়ে তোলেনা। তাছাড়া, আলীপুর গ্রামে সাজু হালদারের আপনার বলতেও তেমন কেউ নেই। একটা মা ছিল তাও গলায় দঁড়ি দিয়ে মরে গেছে অনেক দিন আগে।
সাজু হালদারের বাবা বাজু হালদার গ্রামের স্বচ্ছল গৃহস্থ ছিল। সে ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত। একাত্তরের ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার আহ্বান শুনে বাজু হালদার দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হয়। সে মুক্তিযুদ্ধে যোগদেয়। বাজুর দায়িত্ব পড়ে ট্রেনিংয়ের জন্য আলীপুর থেকে নৌকা দিয়ে ওপারে মুক্তিযোদ্ধাদের পৌঁছে দেয়ার। বিষয়টি স্থানীয় কিছু রাজাকার টের পেয়ে ক্যাম্পে গিয়ে পাকিস্তানি মিলিটারিদের জানিয়ে দেয়। বাজু হালদারকে পাকিস্তানি মিলিটারিরা ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে আলীপুর কলেজের পিছনে গাঙের ধারের বটগাছটাতে ঝুলিয়ে রাখে। মায়মুন তখন অন্তঃসত্ত্বা। মায়মুনকে মিলিটারিরা ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। দেশ স্বাধীন হয়। মায়মুন গাঁয়ে ফিরে আসে। সাজুর জন্ম হয়। বাজুর শেষ ইচ্ছানুযায়ী মায়মুন ছেলের নাম রাখে সাজু হালদার। সাজুর জন্মের পর মায়মুন সংসারের হাল ধরে। ভালোই চলতে থাকে তাদের যুদ্ধপরবর্তী দিনগুলো। কিন্তু বাদসাধে গ্রামের নিন্দুক ও স্বাধীনতা বিরোধীরা। তারা নানাভাবে সাজুর মায়ের ওপর জুলুম-অত্যাচার করে।
যতই দিন গড়াতে থাকে, ততই সাজুর মায়ের ওপর নিন্দুক ও স্বাধীনতা বিরোধীদের অত্যাচার বাড়তে থাকে। একসময় তারা সাজুর মায়ের নামে কুৎসা রটিয়ে সাজুর মাকে সমাজচ্যূত করে; একঘরে করে। এতটুকু করেও তারা থামেনি, একসময় সাজুর মায়ের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সালিসের নামে সাজুর মাকে ন্যাড়া করে সমাজ থেকে বের করে দেয়। সাজুর মা তার প্রতি সমাজের বৈরিতা ও সমাজপতিদের অবিচার সইতে না পেরে অবশেষে গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মঘাতিনী হয়। ঘৃণা ও জীবনের প্রতি চরম বিতৃষ্ণায় সাজু হালদার সমাজ থেকে আলাদা হয়ে একাকী বাস করতে থাকে। এভাবে নিদারুণ গঞ্জনা আর অপমানের মধ্যদিয়ে প্রায় দশটি বছর কেটে যায়।
ছেলেটির প্রতি আমার খুব মায়া হয়। সমাজপতিদের প্রবল বাধা সত্ত্বেও ছেলেটিকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি। আস্তে আস্তে সাজু বড় হয়ে ওঠে, কিন্তু সে সমাজের অন্য দশ জনের মতন স্বাভাবিক হতে পারে না। এক সময় গার্ড হিসেবে ওকে কলেজে নিয়োগ দেই। ভেবেছিলাম, আয় রোজগারের পথ পেলে ছেলেটি হয়তো নতুন করে সংসারি হবে, কিন্তু না, সংসার সে করলো না। জীবনের প্রতি আসক্তি সে হারিয়ে ফেলেছে। ভালোবাসা কিংবা অবহেলা সবই এখন ওর কাছে সমান।
অধ্যক্ষ মহোদয় অত্যন্ত নির্লিপ্তভাবে বাজু হালদারের পরিবারের করুণ ইতিবৃত্ত তুলে ধরলেন। আমার চোখ দুটো জলে ভারী হয়ে ওঠলো। চোখের নোনা জলটুকু এই প্রৌঢ়ের কাছ থেকে লুকোতে দ্রুত প্রস্থান করলাম।
অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কলেজের পিছনে গাঙের ধারের বটগাছটার নিচে এসে দাঁড়ালাম; যে গাছটায় বাজু হালদারকে পাকিস্তানি মিলিটারিরা নির্মম ভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিলো। দেশের স্বাধীনতার জন্য বাজু হালদারের আত্মত্যাগের বিমূর্ত চিত্রগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠলো। মায়মুনের মৃত্যু, সাজুর অনিশ্চিত জীবন কিংবা ধ্বংসের অতলে হারিয়ে যাওয়া একটি ফলবতী সংসার; বাজু হালদার যুদ্ধে না গেলে হয়তো এসবের কোনো কিছুই তাঁকে হারাতে হতোনা।
জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের জন্য পরম শ্রদ্ধায় আপনা আপনি আমার মাথা অবনত হয়ে এলো। তারপর বুকের গহীনে একরাশ বেদনা নিয়ে আলীপুর কলেজ ছেড়ে বাজিতপুরে চলে এলাম।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *