Sudip Ghoshal

 126 total views

বর্জ্য আবর্জনা পুনর্নবীকরণ শক্তি ও সৌরশক্তির প্রভাব

সুদীপ ঘোষাল

দীর্ঘদিনের বিভিন্ন প্রকার সঞ্চিত আবর্জনা বর্জ্য পদার্থ পুড়িয়ে তা থেকে উৎপন্ন তাপমাত্রাকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে যে শক্তি উৎপাদন করা হয় তাকে বর্জ্য আবর্জনা পুনর্নবীকরণ শক্তি বলে।

এই পদ্ধতিতে প্রথমে দূষিত বর্জ্য আবর্জনাকে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে তার থেকে দূষিত ক্ষতিকর ক্ষতিকারক জীবাণুমুক্ত করা হয় এই পোড়ানোর সময় থেকে শক্তি সংগ্রহ করা হয় এ আবর্জনা পুড়িয়ে 525 কিলোওয়াট-ঘণ্টা শক্তি উৎপাদিত হয়।
সম্পদের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রবহমান শক্তি সম্পদ বলে।

2004 সালে ইন্টারন্যাশনাল সলিড ওয়েস্ট এসোসিয়েশন, এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মোট 89 আবর্জনা পুনর্নবীকরণ কেন্দ্র রয়েছে।

সূর্যের তাপ তাপ কে প্রযুক্তিগতভাবে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় তাহলে সৌরশক্তি এটি একটি পূর্ণ নবীকরণ শক্তির উৎস যা পৃথিবীর সর্বত্র পাওয়া যায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অপ্রচলিত শক্তি কারণের বহুবিধ ব্যবহার আছে।

যেমন উন্নত দেশগুলিতে বৃহদায়তন উৎপাদনের দ্বারা বড় বড় কলকারখানা চালানো হচ্ছে সৌরকোষের মাধ্যমে উৎপন্ন বিদ্যুৎ দিয়ে রান্না করা জল গরম করার টিভি আলো পাখা কম্পিউটার রেডিও মোটরগাড়ি প্রভৃতি চালানো হয় গ্রামগঞ্জে রাস্তা আলোকিত করতে টেলিফোন সংযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শক্তির ব্যবহার ঘটছে এছাড়া সংরক্ষণ করা প্রক্রিয়ায় সমুদ্রের জল মুক্ত করতে লবণ তৈরি করতে সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়া যায় এমন দেশে যেকোনো স্থানে শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা যায় সারা বছর ধরে শক্তি উৎপাদন করা যায় পরিবেশ বান্ধব শক্তি উৎপাদন ব্যয় কম প্রভৃতি সুবিধার জন্য পৃথিবীর প্রায় সব দেশ সৌরশক্তি উৎপাদন করে জাপান-জার্মানি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশ সৌর শক্তি উৎপাদনে অগ্রগণ্য ভারতের সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় 250 মেগাওয়াট ভারতে 4.8 লক্ষ সৌরবাতি 34 লক্ষ 54 হাজার 795 রাস্তা আলোকিত করার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এটা মোটামুটি একটা প্রাপ্ত ধারণা থেকে বলা হচ্ছে।

বায়ুপ্রবাহকে কাজে লাগিয়ে যে শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে বায়ুশক্তি বলে বহু প্রাচীনকাল থেকে বাতাসের গতিবেগ কে জলসেচ শস্য বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়ে আসছে বর্তমানে বাতাসের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় এই বিদ্যুৎ গৃহস্থালির আলো জ্বালাতে পাখা টিভি রেডিও প্রভৃতি চালাতে ব্যবহার করা হয়।

দিনে রাতে 24 ঘণ্টা ধরে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

শক্তি কেন্দ্র স্থাপনের প্রাথমিক ব্যয় কম।

মোটামুটি নিখরচায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না।

এরূপ বহু সুবিধার জন্য পৃথিবীর সব দেশেই শক্তি উৎপাদিত হয়।

শক্তি উৎপাদনে জার্মানি স্পেন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য।

বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভারতের স্থান অধিকার করেছে।

ভারতের অধিকাংশ উপকূলবর্তী রাজ্যগুলি যেমন কর্ণাটক তামিলনাড়ু ওড়িশা পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনে অবস্থিত।

বর্তমান যুগের সম্পর্কে শুধু লাভজনক হলেই হবে না তাকে পরিবেশ মিত্র হতে হবে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত অজৈব সম্পদের বেশিরভাগ কোন না কোনভাবে প্রকৃতিকে দূষিত করে থাকে কিন্তু জৈব সম্পদ এই পরিবেশ দূষণের মাত্রা নেই বললেই চলে যায় ব্যবহারকে নিরাপদ সুদূরপ্রসারি করেছে ।

কোন স্থানের অর্থনৈতিক উন্নতি সেই স্থানে সম্পদের প্রাপ্যতা ও সুষ্ঠু ব্যবহারের উপর নির্ভর করে সেই দিক থেকে জৈব সম্পর্কে একদিকে প্রায় পুনর্ভব অন্যদিকে পরিবেশ মিত্র রূপে গণ্য করা যেতে পারে এগুলো উপাদানগুলি হলো উদ্ভিদের মধ্যে যেমন কাগজ আসবাবপত্র প্রভৃতি।

জীবজন্তুর মধ্যে মাংস আর দুধ।
কোন দেশে চিরাচরিত শক্তির উৎস না থাকলেও তা পরিবহনযোগ্য বলে অন্য দেশ থেকে আমদানি করে আনা যায়।

চিরাচরিত শক্তির ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা আছে।

সুবিধার মধ্যে দীর্ঘকাল ব্যবহৃত হওয়ায় চিরাচরিত শক্তির উৎস ব্যবহারে প্রকৃতি প্রযুক্তি সহজলভ্য।

চিরাচরিত শক্তির অধিকাংশ ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয়।

অধিকাংশ চিরাচরিত শক্তির উৎস গচ্ছিত।
বারবার ব্যবহারের ফলে যেকোনো সময় নিঃশেষিত হতে পারে।
আহরণ ব্যবহারের জন্য প্রচুর মূলধন এবং উন্নত প্রকৌশলে প্রয়োজন হয়।

সমৃদ্ধ দেশ গুলি চিরাচরিত শক্তি ব্যবহারে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করে।

বর্তমানে শক্তি সংকটের কারণে প্রচলিত শক্তির গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে।

অচিরাচরিত শক্তি ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয় না।
ক্ষুদ্র আকারে ব্যবহার করা যায় বলে প্রচুর মুলধন প্রয়োজন হয়না।

প্রবহমান সম্পদ বলে নিঃশেষিত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

এই প্রকার শক্তি উৎস থেকে শক্তি ব্যবহার প্রকৃতিগতভাবে প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে।

অপ্রচলিত শক্তি বলে এগুলো ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সহজলভ্য নয়।

সর্বত্র সমান মাত্রায় পাওয়া যায় না।

এগুলো হচ্ছে অসুবিধা।

যেমন সমুদ্র উপকূল ছাড়া অন্যত্র জোয়ার ভাটা শক্তি দুর্বল হলে সৌরশক্তি পর্যাপ্ত নয়।

এই অসুবিধা গুলো এখানে আছে।

এই প্রকার শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে মূলধন অত্যন্ত বেশি লাগে বলে উন্ননয়নশীল দেশগুলোর পক্ষষে কঠিন হয়ে যায় প্রয়োগে।

গরিব দেশগুলোতে মূলধনের অভাব থাকে বলে এখানে এগুলো ব্যবহার করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র— বিভিন্ন গ্রন্থাবলিও উইকিপিডিয়া।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *